
নাটক টি২০ বিশ্বকাপে আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে মূল ম্যাচ টাই হওয়ায় সুপার ওভারে গড়ায় ম্যাচ। সেখানেও দুই দলই ১৭ রান করে। দ্বিতীয় সুপার ওভারে ব্যাট করতে নেমে ২৩ রান করে ফেলে। দারুণ ব্যাট করেন ডেভিড মিলার। অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ৪ বলে ১৬ রান করেন। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১৯ রানে আটকে যায় আফগানরা।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সুপার ওভারে গড়াল আফগানিস্তানের ম্যাচ। এবারের টি২০ বিশ্বকাপের এটাই প্রথম সুপার ওভার। দারুণ ইনিংস রহমানুল্লাহ গুরবাজের। শেষদিকে খেলা জমিয়ে দেন রশিদ খান। ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে। লুঙ্গি এনগিডির ওভারে ১৮ রানের টার্গেট দেয় আফগানরা। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১৭ রানে আটকে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস। আবার টাই হওয়ায়, ফের হয় সুপার ওভার। সেখানে শুরুতে ব্যাট করতে নেমে বাজিমাত করে দক্ষিণ আফ্রিকা। এক ওভারে ওঠে ২৩ রান।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বুধবার প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথমে ব্যাট করে তুলল ১৮৭-৬। রান তাড়া করতে নেমে ৬ ওভারের মধ্যেই ৫২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে আফগানিস্তান। তবে ক্রিজে ছিলেন গুরবাজ। কলকাতা নাইট রাইডার্সের এই তারকা। ১২ ওভার শেষ দক্ষিণ আফ্রিকার রান ছিল ১ উইকেটে ১২৪। সেখান থেকে ২০০ রান হওয়াটাই প্রত্যাশিত ছিল। তবে শেষদিকে দারুণ বোলিং করেছে আফগানিস্তান। শেষ ৮ ওভারে তারা রান খরচ করেছে মাত্র ৬৩।
ওমরজাই ৩টি, রশিদ উইকেট নিয়েছেন দুটি। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ফিফটি করেছেন রিকেলটন ও ডি কক। ৫৯ রানের ইনিংস খেলার পথে ডি কক টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে সর্বোচ্চ রান (৭৩৭) তোলার কীর্তি গড়েছেন। ছাড়িয়ে গেছেন এবি ডি ভিলিয়ার্সকে।
টস জিতে আফগানিস্তান ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরে ৫ রান করেই ফিরে যান অধিনায়ক এডেন মার্করাম। এর পরে কুইন্টন ডিকক (৪১ বলে ৫৯) এবং রায়ান রিকলটন (২৮ বলে ৬১) ইনিংস সামলান। দু’জনের জুটিতে ওঠে ১১৪ রান। শেষ পর্যন্ত ১৮৭-৬ তোলে তারা। ৪১ রানে ৩ উইকেট নেন আফগানিস্তানের আজমাতুল্লা ওমারজাই। রশিদ খান ২৮ রানে পান ২ উইকেট।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে কোনও উইকেট না হারিয়ে ৫০ তোলার পরেই আফগানিস্তানকে ধাক্কা দেন লুনগি এনগিডি। তিনি পরপর আউট করেন ইব্রাহিম জাদরান (১২) এবং গুলবাদিন নইবকে (০)। এর পরে সিদ্দিকুল্লা অটলকে (০) আউট করেন রাবাডা। অর্ধশতরান করে ক্রিজে আছেন রহমানুল্লা গুরবাজ (২৮ বলে ৫৪)।
শর্ট থার্ডম্যানে জর্জ লিন্ডে ডাইভ দিয়ে ক্যাচটি নেওয়ার পর হতাশায় ক্রিজেই বসে পড়লেন গুরবাজ। অসাধারণ ব্যাটিংয়ের এমন সমাপ্তি! মানতে পারছিলেন না আফগান ওপেনার। ৭ ছক্কা ও ৪ চারে ৪২ বলে ৮৪ রানে আউট হলেন গুরবাজ।