
ভারতের সামনে সেমিফাইনালে ওঠার একটাই রাস্তা। কলকাতায় ম্যাচ জিততে হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে। পয়েন্টের বিচারেই উঠে যাবে শেষ চারে। জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ৭২ রানে জয়ের ফলে রান রেট বেড়ে গেল। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে জিতে গেলে প্রথম দল হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকা বৃহস্পতিবার দুপুরেই নিজেদের জায়গা পাকা করেছে। ভারতের সামনে এবার সুযোগ।
দুই নম্বর জায়গাটা দখল করতে হবে ভারতকে। ৪ পয়েন্ট পেলেই হবে। ২ পয়েন্ট পেয়ে গিয়েছে ভারত, জিম্বাবোয়েকে হারিয়ে ইডেনের ম্যাচ জিতলে ৪ পয়েন্ট পেয়ে যাবে ভারত। ওয়েস্ট ইন্ডিজ পড়ে থাকবে ২ পয়েন্টেই। ফলে তাদের শেষ চারে যাওয়া হবে না। সেক্ষেত্রে ভারতের প্রতিপক্ষ হবে ইংল্যান্ড। কারণ, নিয়ম অনুসারে গ্রুপ-এ-র শীর্ষে থাকা দল খেলবে গ্রুপ২-এর দুই নম্বরে থাকা দল। সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে এক নম্বর ধরে রাখার সম্ভাবনা দক্ষিণ আফ্রিকার। সেক্ষেত্রে গ্রুপ-২-এর দুই নম্বরে থাকা দলের মুখোমুখি হবে তারা।
অন্যদিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারাতে পারলে ভারত সেমিফাইনালে মুম্বই-এর ওয়াংখেড়েতে মুখোমুখি হবে ভারত ও ইংল্যান্ড। গতবারের চ্যাম্পিয়ন দল ভারত সুপার এইটে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরে সমস্যায় পড়ে যায়। নেট রানরেট কমের দিকে থাকায় সমস্যা আরও বাড়ে। তবে সেই জায়গা থেকে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ফর্মে ফিরলেন ভারতের ব্যাটাররা। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচের আগে টপ অর্ডারে সঞ্জু স্যামসনের রান পাওয়া, অভিষেক শর্মার তিনটে ০ রানের ইনিংসের পর হাফ সেঞ্চুরি ভারতকে ভাল জায়গায় নিয়ে যায়।
ঈশান কিষাণ এবং অভিষেক শর্মা দ্বিতীয় উইকেটে ৭২ রান যোগ করেন। এই জুটিতে অভিষেক ২৬ বলে তিনটি চার এবং চারটি ছক্কা মেরে তার পঞ্চাশ রান পূর্ণ করেন। চলতি বিশ্বকাপে এই প্রথম অভিষেক ৫০ রানের মাইলফলক অতিক্রম করলেন। এরপর ভারতের দ্বিতীয় উইকেট পড়ে ইশান কিষাণের (৩৮ রান) রূপে, যিনি সিকান্দার রাজার বলে রিচার্ড নাগারাভার হাতে ক্যাচ আউট হন। ইশানের আউট হওয়ার কিছুক্ষণ পরেই অভিষেক শর্মাও আউট হন, টিনোটেন্ডো মাপোসার হাতে ক্যাচ আউট হন। অভিষেক ৩০ বলে ৫৫ রান করেন, চারটি ছক্কা এবং চারটি চার মারেন। অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব দুর্দান্ত পারফর্মেন্স প্রদর্শন করেন, ১৩ বলে ৩৩ রান করেন, যার মধ্যে তিনটি চার এবং দুটি ছক্কা ছিল।
সূর্যকুমার যাদবকে রিচার্ড নাগরওয়া আউট করেন। সেখান থেকে হার্দিক পান্ডিয়া এবং তিলক ভার্মা অপরাজিত ৮৪ রান যোগ করে ভারতকে বিশাল স্কোর এগিয়ে নেন। হার্দিক ২৩ বলে ৫০ রান করেন, চারটি ছক্কা এবং দুটি চার মারেন। এরপর তিলক ১৬ বলে ৪৪ রান করেন, যার মধ্যে চারটি ছক্কা এবং তিনটি চার ছিল।