
Rohit Sharma: আফগানিস্তানের সঙ্গে ৩ ম্যাচের টি২০ সিরিজের প্রথম দুটি ম্যাচ জিতে ভারত ইতিমধ্যেই সিরিজ নিজেদের নামে করে নিয়েছে। বাকি ম্যাচটি এখন শুধু নিয়মরক্ষার। ভারতের পারফরম্যান্স দারুণ। ইয়ং ব্রিগেড দারুণ খেলছে। বিরাট কোহলি দ্বিতীয় ম্যাচে কামব্যাক করে ১৬ বলে ২৯ রানের একটা দুর্দান্ত ইনিংস খেলেছেন। যাতে তাঁর প্রচেষ্টা ও টেম্পারম্যান্ট টি২০-র জন্য তিনি সেট করে দিয়েছেন। এই পর্যন্ত ঠিক আছে। কিন্তু গোল বেধেছে অন্য জায়গায়। বিরাটের মতোই একই সঙ্গে সিরিজে কামব্যাক করেছেন রোহিত শর্মাও। তিনি প্রথম ম্যাচ থেকেই দলে রয়েছেন। কিন্তু সেখানে তাঁর এই প্রত্যাবর্তন সুখের হয়নি। তিনি দুটি ম্যাচে শূন্যরানে আউট হয়ে গিয়েছেন। খাতা না খোলায় চাপ বাড়ছে তাঁর উপর। কারণ তাঁর উপর চাপ রয়েছে দলের।
প্রথম ম্যাচে রোহিত শর্মা দুটি বল খেলে শুভমান গিলের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট হয়ে গিয়েছেন। অন্যদিকে দ্বিতীয় বলে তিনি প্রথম বলেই আউট হয়ে যান। দ্বিতীয় ম্যাচে যেভাবে তিনি আউট হয়েছেন, সেটা অত্যন্ত নিরাশাজনক। তিনি ফজলুল হক ফারুকির প্রথম বলেই পুল মারতে যান এবং লাইন মিস করে তিনি বোল্ড হয়ে যান। রোহিত ১২ বার সব মিলিয়ে টি২০ ইন্টারন্যাশনালে ০ রানে আউট হয়েছেন। এই নিয়ে রোহিত যুগ্মভাবে দ্বিতীয় স্থানে এসে পৌঁছেছেন। তিনি আয়ারল্যান্ডের কেভিন ও ব্রায়েন ও রোয়ান্ডার কেভিন ইরাকোজের সঙ্গে এক স্থানে এসে পৌঁছেছেন। যদিও আইসিসি পূর্ণ সদস্য়দের মধ্যে হওয়া ম্যাচ হিসেবে ধরলে রোহিতই সর্বোচ্চবার শূন্যরানে আউট হওয়া ব্যাটার।
টি২০ ইন্টারন্যাশনালে সর্বোচ্চ ডাক
পল স্টার্লিং (আয়ারল্যান্ড) - ১৩
কেভিন ইরাকোজ (রোয়ান্ডা) - ১২
কেভিন ওব্রায়েন (আয়ারল্যান্ড) - ১২
রোহিত শর্মা(ভারত)- (২
ড্য়ানিয়েল এনেফি (ঘানা)-১১
জেপি বিমেনিমানা (রোয়ান্ডা)-১১
রেগিস চকাম্বা(জিম্বাবুয়ে)-১১
অর্কিড তুইসেঞ্জ (রোয়ান্ডা)-১১
সৌম্য সরকার (বাংলাদেশ)-১১
টি২০ তে সর্বাধিক শূন্য (পূর্ণ সদস্যের মধ্যে)
১২ রোহিত শর্মা
১১ রেগিস চাকাম্বা /সৌম্য সরকার
১০ উমর আকমল/তিলকরত্নে দিলশান/দাসুন শনাকা
রোহিতের সামনে আর মাত্র একটি ম্যাচ
এখন রোহিতের সামনে টি২০ বিশ্বকাপের আগে একমাত্র টি২০ বাকি আছে আফগানিস্তানের সঙ্গে তৃতীয় টি২০তে। কারণ এরপর আর কোনও টি২০ সিরিজ নেই। মাঝে ইংল্যান্ডের সঙ্গে একটি পূর্ণাঙ্গ টেস্ট সিরিজ আছে। কিন্তু আর টি২০ সিরিজ নেই। মাঝে অবশ্য আইপিএল রয়েছে। সেখানে নিজের পারফরম্যান্স ভাল করার সুযোগ থাকছে। তবে আন্তর্জাতিক টি২০ সিরিজ আর নেই। যে কারণে রোহিতের উপর চাপ বাড়ছে।
বিশ্বকাপে অধিনায়ক থাকবেন রোহিত?
এখন সমস্যা হল রোহিত যদি ফর্ম হারিয়ে ফেলেন, তাহলে কি তিনি দলে আর অটোমেটিক চয়েজ হবেন? কারণ যশস্বী জয়সওয়াল যবে থেকে দলে ফিরেছেন, তবে থেকে তিনি দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করছেন। শুভমান গিল ভাল ব্যাট করছেন। যদিও তিনিও বড় রান পাননি। তবে রোহিতের মতো এতটা খারাপ পরিস্থিতি নয়। অন্যদিকে এই মুহূর্তে দলে না থাকলেও ইশান কিসান কিংবা ঋতুরাজরা আইপিএলে ভাল খেলে দিলে রোহিতের উপর চাপ বাড়বে। যদি সূর্যকুমার বা হার্দিক ফিট হয়ে যান, তাহলে তাঁরা অধিনায়কত্বের দৌড়ে ঢুকে পড়বেন, তখন চাপ বাড়বূে রোহিতকে বসানোর। ফলে এখন রোহিতের সামনে জায়গা ধরে রাখার একটাই উপায় তৃতীয় টি২০তে কিছু ভাল করে দেখানো।