
২০২৬-এর টি২০ বিশ্বকাপের আগে আইসিসি-র দুই সদস্যের প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে আসার কথা থাকলেও, বাংলাদেশের ভিসা পাননি ভারতীয় এক প্রতিনিধি। বাংলাদেশের স্থানীয় গণমাধ্যমে এই দাবি করা হয়েছে।
আরও দাবি করা হয়েছিল যে আইসিসির দুর্নীতি দমন ও নিরাপত্তা প্রধান অ্যান্ড্রু এ ফগ্রেডকে ১৭ জানুয়ারী একাই বাংলাদেশে যেতে হয়েছিল। তার সঙ্গে থাকা আইসিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ভারতীয় নাগরিক ছিলেন, কিন্তু স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে তারা সময়মতো ভিসা পাননি। তবে, এর কোনও সত্যতা নেই।
এই সফরে আইসিসির লক্ষ্য ছিল, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করে আসন্ন টি২০ বিশ্বকাপ নিয়ে যে জটিলতা তৈরি হয়েছে, তা ঠিক করা। ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ৭ই ফেব্রুয়ারী থেকে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও ইতিমধ্যেই এই ইভেন্ট সঙ্কটের মুখে পড়েছে। বাংলাদেশ সরকার এবং ক্রিকেট বোর্ড নিরাপত্তার কারণে ভারতে নির্ধারিত তাদের গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলি শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তর করার জন্য আইসিসির কাছে অনুরোধ করেছিল। তারা জানিয়েছে যে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে খেলোয়াড় এবং সাপোর্ট স্টাফদের নিরাপত্তা নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন।
যদিও আইসিসি-কে বিসিসিআই পরিস্কার জানিয়ে দেয়, এত কম সময়ের মধ্যে টুর্নামেন্টের ম্যাচ অন্য দেশে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকে বাংলাদেশ। এর ফলেই শুরু হয় সমস্যা। বিকল্প হিসেবে ঢুকে পড়ে পাকিস্তানও। তারা জানায়, বাংলাদেশের ম্যাচ সেখানে আয়োজন করা হোক। যদিও সে দাবিও মেনে নেয়নি আইসিসি। এরপরেই ফের আইসিসিকে চিঠি দেয় বাংলাদেশ। সেই চিঠি পেয়েই আইসিসি দুই প্রতিনিধি পাঠাতে চায় বাংলাদেশে।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে তিন সপ্তাহেরও কম সময় বাকি থাকায়, যদি এই বিরোধের দ্রুত সমাধান না করা হয়, তাহলে পুরো টুর্নামেন্ট পরিকল্পনাই সমস্যায় পড়তে পারে। সকলের দৃষ্টি এখন আইসিসি প্রতিনিধি দলের দিকে। যদি তারা বাংলাদেশকে রাজি করাতে ব্যর্থ হয়, তাহলে টুর্নামেন্টের ভবিষ্যৎ নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠতে পারে।