Advertisement

India vs Pakistan: বঞ্চনার জবাব দিচ্ছেন ঈশান, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দুরন্ত ইনিংস

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শুরু থেকেই চাপে পড়ে যায় ভারত। প্রথম ওভারে নিজে বল করতে চলে আসেন পাকিস্তান ক্যাপ্টেন সলমন আলি আঘা। পঞ্চম বলে তুলে নেন অভিষেক শর্মার উইকেট। ধাক্কা খায় ভারতীয় দল। তবে আক্রমন চালিয়ে যেতে থাকেন ঈশান কিষান। ৪০ বলে ৭৭ রান করে আউট হন উইকেটকিপার ব্যাটার।

এই ফ্রেমে ভারতের ইশান কিষাণ (ডানদিকে) অ্যাকশনে। (গেটি)এই ফ্রেমে ভারতের ইশান কিষাণ (ডানদিকে) অ্যাকশনে। (গেটি)
Aajtak Bangla
  • কলম্বো,
  • 15 Feb 2026,
  • अपडेटेड 8:29 PM IST

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শুরু থেকেই চাপে পড়ে যায় ভারত। প্রথম ওভারে নিজে বল করতে চলে আসেন পাকিস্তান ক্যাপ্টেন সলমন আলি আঘা। পঞ্চম বলে তুলে নেন অভিষেক শর্মার উইকেট। ধাক্কা খায় ভারতীয় দল। তবে আক্রমন চালিয়ে যেতে থাকেন ঈশান কিষান। ৪০ বলে ৭৭ রান করে আউট হন উইকেটকিপার ব্যাটার।

চাপের মধ্যে দুরন্ত ইনিংস

ঈশান কিষাণ মাত্র ২৭ বলে তার পঞ্চাশ করেন। এরপর ঈশান একের পর এক ছক্কা এবং চার মারেন। কিন্তু নবম ওভারে ভারত আরেকটি ধাক্কা খায় যখন ঈশান কিষাণ ৪০ বলে ৭৭ রান করে আউট হন। স্যাম আইয়ুব তার উইকেট নেন। ইশান তার ইনিংসে ১০টি চার এবং তিনটি ছক্কা মারেন।

এই পিচে রান করা একেবারেই সহজ নয়। কলম্বোতে বল স্পিন করছে। সেই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের প্রচুর স্পিনার ভারতের উপর চাপ তৈরি করার চেস্টা চালাচ্ছিল। তবে পাত্তা দেননি ঈশান। সবাইকেই পাথিয়েছেন বাউন্ডারির বাইরে। মাঠের প্রায় সমস্ত প্রান্ত ছুঁয়ে ফেলেছে তাঁর ব্যাট থেকে আসা বল। স্পিনারদের বিরুদ্ধে স্যুইপ খেলে চাপ বাড়িয়েছেন। প্রথম ৬ ওভারের ফিল্ডিং রেস্ট্রিকশন ভাল্ভাবে ব্যবহার করেছেন ঈশান। ৩টে ছক্কা ও ১০টা চার মেরে পাকিস্তানের মাথা ব্যথার কারণ হয়ে উথেছিলেন এই ওপেনার।

ভারতীয় দলে প্ল্যানে ছিলেন না ঈশান
ভারতীয় দলের সঙ্গে যেন কয়েক লক্ষ যোজন দূরত্ব বেড়ে গিয়েছিল ঈশানের। শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে অভিযুক্ত হয়েছিলেন তিনি। ২০২৩ সালে মানসিক অসুস্থতার কারণে ক্রিকেট থেকে বিরতি নিয়েছিলেন ঈশান। সেই সময়েই তাঁকে দেখা যায় দুবাইতে। ২০২৪ সালের শুরুতে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের পর রঞ্জি ট্রফি খেলতে চান নি ঈশান। এই ঘটনার পরেই ২০২৪ সালে তাঁর সঙ্গে বার্ষিক চুক্তিভঙ্গ করেছিল বিসিসিআই। এই চুক্তি হারানোর পরেই যেন ধীরে ধীরে ক্রিকেটের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বেড়ে যায়। ফর্ম হারিয়েছিলেন আইপিএলেও। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে ১৪ ম্যাচে করেছিলেন মাত্র ৩২০ রান। 

Advertisement

এমন সময় আসরে নামেন তৎকালীন ভারতীয় দলের হেডস্যার রাহুল দ্রাবিড়। ঈশানকে শৃঙ্খলা ফেরাতে অনুরোধ করেছিলেন দ্রাবিড়। পাশাপাশি তাঁকে ডোমেস্টিক ক্রিকেট খেলতেও নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। এর ফলে ঈশান নিজেকে দলে ফেরানোর একটি রাস্তা খুঁজে পাবেন – এমনই ধারণা ছিল দ্রাবিড়ের। এরপরেই ডোমেস্টিকে ঝাড়খণ্ডের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করা শুরু করেন তিনি। অধিনায়ক হিসেবে খেলেছেন ‘বুচি বাবু টুর্নামেন্ট’ এবং রঞ্জি ট্রফি। ২০২৫ সালের শেষে কপাল খোলে তাঁর। সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফিতে ঝাড়খণ্ডের অধিনায়ক হিসেবে রাজ্যকে দিয়েছেন প্রথম ট্রফি। ফাইনালে নিজে খেলেছেন ৪৯ বলে ১০১ রানের বিধ্বংসী ইনিংস। এরপরেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জাতীয় দলের হয়ে ডাক পান ঈশান। পরপর দুই ম্যাচে মারকুটে শুরু করে তিনি দেখিয়ে দিলেন, এখনও শেষ হয়নি ঈশানের কেরিয়ার।    

পাকিস্তান (প্লেয়িং ইলেভেন): সাইম আইয়ুব, সাহেবজাদা ফারহান, সালমান আগা (অধিনায়ক), বাবর আজম, মোহাম্মদ নওয়াজ, শাদাব খান, ফাহিম আশরাফ, উসমান খান (উইকেটরক্ষক), শাহীন আফ্রিদি, আবরার আহমেদ, উসমান তারিক।

ভারত (প্লেয়িং ইলেভেন): অভিষেক শর্মা, ইশান কিশান (উইকেটরক্ষক), তিলক ভার্মা, সূর্যকুমার যাদব (অধিনায়ক), হার্দিক পান্ড্য, শিবম দুবে, রিংকু সিং, অক্ষর প্যাটেল, কুলদীপ যাদব, বরুণ চক্রবর্তী, জাসপ্রিত বুমরাহ

Read more!
Advertisement
Advertisement