গুয়াহাটিতে জয় পেয়েছে কেকেআর (KKR)। রাজস্থান রয়্যালসকে (Rajasthan Royals) আট উইকেটে হারিয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স (Kolkata Knight Riders)। ম্যাচের শেষ মুহুর্তে সুনীল নারিনের পরিবর্তে দলে জায়গা পেয়েছিলেন মইন আলি। ২ উইকেট নিয়েছেন তিনি। তবে ব্যাট হাতে সফল হতে পারেননি। সেই মইনই প্রশংসা করলেন বরুণ চক্রবর্তীর। নাইটদের জয়ের নায়ক অবশ্য কুইন্টন ডি’কক। কিন্তু এদিন বল হাতে ভালো ছন্দে ছিলেন বরুণ চক্রবর্তী (Varun Chakrabarty)।
ম্যাচ শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে বরুণকে প্রশংসায় ভরালেন মইন আলি (Moeen Ali)। তিনি বলেন, 'আমি এমন একজনের সঙ্গে বোলিং করতে অভ্যস্ত যে আমার চেয়ে ভালো এবং রহস্যময়। আমার কাজ ছিল যতটা সম্ভব ভালো বোলিং করা, প্রতিপক্ষ দলের ব্যাটারদের উপর চাপ তৈরি করা। আমি চাপ সৃষ্টি করলেই বরুণ উইকেট পাবে সেটাই ছিল আমাদের মূল লক্ষ্য।'
ম্যাচের কয়েক ঘন্টা আগে মইন জানতে পারেন যে তাঁকে মাঠে নামতে হবে। রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে দুই উইকেট নিয়েছেন তিনি। বরুণের সঙ্গে জুটি বেঁধে সঞ্জু স্যামসনদের সমস্যায় ফেলেছিলেন মইন আলি। তিনি আরও বলেন, 'বরুণের ভাল বোলিংয়ের কারণেই আমি উইকেট পেয়েছি। ও দুর্দান্ত বোলার। গত কয়েক বছরে অনেক উন্নতি করেছে।'
কবে ফিরবেন নারিন?
ঠিক কী হয়েছে সুনীল নারিনের? তা ক্যাপ্টেন অজিঙ্কা রাহানে জানাননি। ফলে কৌতূহল রয়েছে। সূত্রের খবর, সুনীল নারিনের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। মেডিক্যাল টিমের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। মুম্বই ম্যাচে তাঁকে মাঠে দেখা যেতে পারে। ২০২০ সালের পর ২০২৫ সালে সুনীল নারিন কেকেআরের কোনও ম্যাচ খেললেন না। আরসিবির বিরুদ্ধে ২৬ বলে ৪৪ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেছিলেন নারিন। বলে ৪ ওভারে ২৭ রান দিয়ে ১ উইকেট নিয়েছিলেন। নারিনের অসুস্থতা সত্যিই চিন্তার কারণ।
বুধবারের ম্যাচে টসে জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন কেকেআর ক্যাপ্টেন রাহানে। ব্যাট করতে নেমে দ্রুত রান করলেও, একের পর এক উইকেট হারানোয় ৯ উইকেট হারিয়ে ১৫১ রানে আটকে যায় রাজস্থান রয়্যালস। ধ্রুব জুড়েল ছাড়া কেউই রান পাননি। তিনি ৩৩ রান করে আউট হন। ২৯ রান করেন যশস্বী জয়সওয়াল। দু'টি করে উইকেট নেন বৈভব আরোরা, হর্ষিত রানা, বরুণ চক্রবর্তী ও মইন।
ব্যাট করতে নেমে কুইন্টন ডি'কক একাই শেষ করে দেন রাজস্থানকে। ৬১ বলে ৯৭ রান করে অপরাজিত থাকেন দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটার। মইন ও ক্যাপ্টেন রাহানে ব্যর্থ হলেও জিততে সমস্যা হয়নি কেকেআর-এর। ইম্প্যাক্ট সাব অঙ্গকৃষ রঘুবংশি শেষ অবধি অপরাজিত ছিলেন ১৭ বলে ২২ রান করে। আট উইকেটে জয় পায় কলকাতা।