
২৭শে জানুয়ারির মধ্যে হোম গ্রাউন্ডের নাম জানাতে হবে রাজস্থান রয়্যালস এবং রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুকে। জানিয়ে দিল বিসিসিআই। এমনটাই সূত্রের খবর। ফের চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে আরসিবি ম্যাচ করতে পারবে কিনা সেটা বড় প্রশ্ন। গতবারের চ্যাম্পিয়নরা এবারেও ঘরের মাঠে খেলতে মরিয়া। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর এই মাঠেই সেলিব্রেশন করতে গিয়ে পদপিষ্ট হয়ে ১১ জন প্রাণ হারান।
৪ জুনের পদপিষ্টের ঘটনার পর চিন্নাস্বামীতে আর কোনও প্রথম সারির ক্রিকেট হয়নি। ফলস্বরূপ, এই ভেন্যু মহারাজা টি-২০, উইমেন্স ওয়ার্ল্ড কাপ ফাইনাল এবং বিরাট কোহলি ও ঋষভ পন্তের বিজয় হাজারে ট্রফির ম্যাচ আয়োজনের সুযোগ হারিয়েছে। এর মধ্যে আরসিবি জনসমাগমের জন্য ৩০০-৩৫০টি এআই-ক্যামেরা স্থাপনের প্রস্তাব দিয়েছে। এককালীন ৪.৫ কোটি টাকা খরচ আরসিবি বহন করবে।
সূত্রের খবর, আরসিবি চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে খেলতে চায়, কিন্তু রাজ্য সরকারের কিছু নিয়ম এক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। চিন্নাস্বামীর বাইরের রাস্তাটিও আরসিবি-র দায়িত্বে দেওয়া হয়েছে, সেখানে ফায়ার ব্রিগেড বসানোর কারণে ডিজে-র জন্য কোনো জায়গা নেই। আরসিবি মনে করছে রাজ্য সরকার তাদের দায়ভারও ফ্র্যাঞ্চাইজির উপর চাপিয়ে দিচ্ছে, যা সঠিক নয়। তাই এখন আরসিবি ও কর্ণাটক ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন রাজ্য সরকারি কথা বলবে এবং তাদের অবস্থান সম্পর্কে আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিলকে জানাবে। সেই কাজটা আরও দ্রুত সারতে হবে আরসিবি-কে। কারণ সময় হাতে বিশেষ নেই।
রাজস্থান রয়্যালস - রাজস্থান ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনে নির্বাচন না হওয়াটা জয়পুরের জন্য দীর্ঘকাল ধরে একটি সমস্যা ছিল। এর ফলে আইপিএল ম্যাচ হারাতে হচ্ছে রাজস্থান রয়্যালস। ১৬ বছর পর রাজ্য ছাড়ছে আইপিএলের প্রথম বারের চ্যাম্পিয়নেরা। আগামী আইপিএলে রাজস্থান ঘরের ম্যাচগুলি খেলবে দু’টি স্টেডিয়ামে। পুণের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের (এমসিএ) স্টেডিয়ামেই অধিকাংশ ম্যাচ খেলতে পারে তারা। দু’টি ম্যাচ খেলতে পারে গুয়াহাটির বর্ষাপারা স্টেডিয়ামে। গত কয়েক বছরের মতো এ বারও গুয়াহাটিতে কয়েকটি ম্যাচ খেলবে রাজস্থান।