
আজ, ৭ এপ্রিল IPL-এ মুখোমুখি রাজস্থান রয়্যালস এবং মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। আর এই ম্যাচেই সামনা-সামনি হবে ভারতীয় ক্রিকেটের বর্তমান এবং ভবিষ্যতের নক্ষত্ররা।
এই ম্যাচে একদিকে রয়েছেন বৈভব সূর্যবংশী এবং যশস্বী জয়সওয়াল। এই দুই ব্যাটারের মারমুখী ব্যাটিং দেখতে মুখিয়ে থাকে গোটা গ্যালারি। আবার অপরদিকে রয়েছেন জসপ্রীত বুমরার মতো অভিজ্ঞ বোলার। যার আগুনে ফাস্টবোলিং মরা পিচেও সোনা ফলায়। বদলে যায় ম্যাচের ফলাফল।
মাথায় রাখতে হবে, গত IPL-এ জয়পুরে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে ২ বলে শূন্য রান করে আউট হয়ে গিয়েছিলেন বৈভব। তাঁকে আউট করে দিয়েছিলেন দীপক চাহার। তারপর অবশ্য দারুণ ফর্মে খেলেছেন বৈভব। তিনি আন্ডার ১৯ ডোমেস্টিক ক্রিকেটে চালিয়ে ব্যাট করেছেন। এমনকী ২০২৬ IPL-এও তিনি একটি ম্যাচে ১৭ বলে ৫২ রান করেছেন এবং অপর একটি ম্যাচে ১৮ বলে করেছেন ৩১ রান। যদিও এবার তিনি প্রথমবারের জন্য বুমরার আসবেন। আর সেই দিকেই নজর থাকবে অনেকের।
রাজস্থান কনফিডেন্স রয়েছে হাই
২০২৬ সালে দারুণ শুরু করেছে রাজস্থান রয়্যালস। তারা গুজরাত টাইটনসের বিরুদ্ধে ২১০ রান করেছে। সেই ম্যাচটি শেষ ওভারে গিয়ে জিতেছে তারা। তাই মনে করা হচ্ছে আজকের ম্যাচে খুব একটা বেশি পরিবর্তন হবে না। রিয়ান পরাগের নেতৃত্বে মোটের উপর সেটই রয়েছে দল।
হার্দিক পাণ্ডেয়া ফিরছে
মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের স্টার প্লেয়ার হার্দিক পাণ্ডেয়া এই ম্যাচে ফিরতে পারেন বলে খবর। তিনি অসুস্থ থাকার জন্য দিল্লির বিরুদ্ধে খেলতে পারেননি। যদিও তাঁকে গুয়াহাটিতে বল করতে দেখা গিয়েছে। তাই আজ তাঁর রিটার্ন প্রায় নিশ্চিত। আর তাতে মুম্বইয়ের ব্যালেন্স বাড়বে। পাশাপাশি এ দিন মাঠে ফিরতে পারেন ট্রেন্ট বোল্ট।
মুম্বইয়ের কী সমস্যা?
মুম্বইয়ের মূল সমস্যা বোলিং। তাঁরা দিল্লির বিরুদ্ধে খারাপ বোলিংয়ের জন্যই হেরেছে। এখন দেখার হার্দিক এবং বোল্টের অন্তর্ভুক্তি তাঁদের বোলিংকে কতটা এগিয়ে দেয়।
রাজস্থানের সম্ভাব্য একাদশ
বৈভব সূর্যবংশী, যশস্বী জয়সওয়াল, ধ্রুব জুরেল (উইকেটকিপার), রিয়ান পরাগ (অধিনায়ক), শিমরন হেটমায়ার, দোনোভান ফেরিরা, রবীন্দ্র জাদেজা, জোফ্রে আর্চার, নান্দ্রে বার্গার, রবি বিষ্ণোই, তুষার দেশপাণ্ডে এবং সন্দীপ শর্মা।
মুম্বইয়ের সম্ভাব্য একাদশ
রোহিত শর্মা, রিয়ান রিকেলটন (উইকেটকিপার), তিলক ভার্মা, সূর্যকুমার যাদব, নামান ধীর, হার্দিক পাণ্ডেয়া (অধিনায়ক), শেরফান রুথারফোর্ড, মিচেল স্যান্টেনার, শার্দুল ঠাকুর, ট্রেন্ট বোল্ট, মায়াঙ্ক মারকান্ডে/অশ্বিনী কুমার ও জসপ্রীত বুমরা।