
আইপিএল নিলামে মুস্তাফিজুর রহমানকে তুলে নিয়েছিল কেকেআর। তবে বাংলাদেশের সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্ক খারাপ হওয়ায় বোর্ডের নির্দেশে তাঁকে বাদ দিতে হয়। এর পরেই সমস্যায় পড়ে কলকাতা নাইট রাইডার্স। বোলিং বিভাগে নেতৃত্ব দেওয়ার লোকের অভাব চোখে পড়ছে আইপিএল শুরু হওয়ার পর থেকেই। পরপর দুই ম্যাচ হারের পর যা আরও প্রকট হয়েছে। এ ব্যপারে মুখ খুলেছেন আইপিএল চেয়ারম্যান অরুণ ধুমল।
মুস্তাফিজুরের বাদ পড়া কেকেআর-এর প্ল্যান যে অনেকটাই ঘেঁটে দিয়েছে তা স্বীকার করে নিয়ে অরুণ মনে করেন, যেটা ঘটেছে সেটা দুর্ভাগ্যজনক। ফিনানশিয়াল টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অরুণ বলেন, 'আমি শুধু বলব, এটা দুর্ভাগ্যজনক। এর বাইরে আমার কিছু জানা নেই। মাঝে মাঝে কিছু ঘটনা এমন ভাবে ঘটে, যেগুলো দুর্ভাগ্যজনক। আমার মনে হয় না প্রতিদিনের ক্রিকেট পরিচালনায় সরকারের কোনও বক্তব্য বা ভূমিকা রয়েছে। সরকার সার্বিক ভাবে ক্রিকেটের সমর্থক।’ ধুমল আরও বলেছেন, ‘কখনও কখনও আমাদের চারপাশে এমন কিছু ঘটনা ঘটে, যেগুলির পরিপ্রেক্ষিতে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। আশা করব, সকলের শুভবুদ্ধির উদয় হবে। ভবিষ্যতে এমন ঘটনা আর ঘটবে না।’
কেকেআর দলে মুস্তাফিজুরের পাশাপাশি খেলতে পারছেন না হর্ষিত রানা ও মাথিশা পাথিরানা। পাথিরানা হয়ত যোগ দেবেন কিছুদিনের মধ্যেই। তবে রানা খেলতেই পারবেন না। মুস্তাফিজুরের বিকল্প হিসেবে ব্লেসিং মুজারাবানিকে দলে নেওয়া হয়েছে। তিনি নিজে ভাল বল করলেও, বোলিং বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ করার কাজটা করতে পারছেন না তিনি। ফলে সমস্যা হচ্ছে।
মুস্তাফিজুর আইপিএল থেকে বাদ পড়ার প্রভাব পড়েছিল টি২০ বিশ্বকাপেও। এই ঘটনাকে অপমান বলে মনে করেছিল তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার। এর জবাব দিতেই ভারত ও শ্রিলঙ্কায় হওয়া টি২০ বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ায় তারা। যদিও সরে দাঁড়ানোর কারণ হিসেবে মুস্তাফিজুরের ব্যান দেখান না হলেও, তাঁরা জানিয়েছিল, নিরাপত্তার অভাবের কারণে তাঁরা ভারতে খেলতে আসবে না বলে জানিয়ে দিয়েছিল। এরপর তাদের ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার আর্জি জানালেও আইসিসি তা মানেনি।