Advertisement

T20 World Cup কি Nipah Virus এর কারণে বাতিল হতে পারে? BCCI যা জানাল

পশ্চিমবঙ্গে নিপা ভাইরাসের দু’টি কেস কনফার্ম। বিষয়টিতে নজর রাখছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও। এমতাবস্থায় ২০২৬ সালের ICC T20 বিশ্বকাপের আয়োজন ঘিরে নানা প্রশ্নে তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া।

এমতাবস্থায় ২০২৬ সালের ICC T20 বিশ্বকাপের আয়োজন ঘিরে নানা প্রশ্নে তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া। এমতাবস্থায় ২০২৬ সালের ICC T20 বিশ্বকাপের আয়োজন ঘিরে নানা প্রশ্নে তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 31 Jan 2026,
  • अपडेटेड 9:50 PM IST
  • পশ্চিমবঙ্গে নিপা ভাইরাসের দু'টি কেস কনফার্ম।
  • বিষয়টিতে নজর রাখছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও।
  • এমতাবস্থায় ২০২৬ সালের ICC T20 বিশ্বকাপের আয়োজন ঘিরে নানা প্রশ্নে তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া।

পশ্চিমবঙ্গে নিপা ভাইরাসের দু'টি কেস কনফার্ম। বিষয়টিতে নজর রাখছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও। এমতাবস্থায় ২০২৬ সালের ICC T20 বিশ্বকাপের আয়োজন ঘিরে নানা প্রশ্নে তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া। অনেকে দাবি করছেন, নিপা ভাইরাসের প্রভাবে ভারতের বিশ্বকাপ আয়োজন বিপদের মুখে পড়তে পারে। তবে বাস্তব চিত্র যে একেবারেই আলাদা, তা স্পষ্ট করে দিল কেন্দ্রীয় সরকার এবং ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (BCCI)। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের বারাসাতে নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত দু'জনের সন্ধান মেলে। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, আক্রান্তদের দ্রুত আইসোলেশনে রেখে চিকিৎসা শুরু করা হয়েছে। দু'জনই বর্তমানে সম্পূর্ণ কোয়ারান্টিনে রয়েছেন। তাঁদের সংস্পর্শে আসা মোট ১৯৬ জনকে চিহ্নিত করে পরীক্ষা করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত নতুন কোনও সংক্রমণের খবর মেলেনি। কেন্দ্র ও রাজ্যের যৌথ উদ্যোগে নজরদারি, পরীক্ষা এবং ফিল্ড ইনভেস্টিগেশন চালানো হচ্ছে বলেই জানিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রক। সরকারি বিবৃতিতে স্পষ্ট, পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে এবং নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, নিপা ভাইরাস ঠিক কতটা সংক্রামক। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)-র তথ্য অনুযায়ী, নিপা একটি জুনোটিক ভাইরাস। অর্থাৎ পশু থেকে মানুষের শরীরে ছড়াতে পারে। সংক্রমিত খাবার বা সংক্রমিত ব্যক্তির খুব কাছাকাছি সংস্পর্শে এলে এই ভাইরাস ছড়ানোর সম্ভাবনা থাকে। তবে কোভিড-১৯-এর মতো বাতাসে ছড়ায় না নিপা। মূলত হাঁচি, কাশির জলকণার মাধ্যমেই সংক্রমণ ঘটে। সেই কারণেই ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তুলনামূলক ভাবে কম।

কোভিড অভিজ্ঞতার পর একাধিক দেশ শুধু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে থার্মাল স্ক্রিনিং চালু রেখেছে। হু স্পষ্ট জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে কোনও ধরনের ভ্রমণ বা বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞার প্রয়োজন নেই। তা সত্ত্বেও সোশ্যাল মিডিয়ায় আতঙ্ক ছড়ানোর চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ। সূত্রের খবর, বেশির ভাগ বিভ্রান্তিকর পোস্ট পাকিস্তান-ঘেঁষা কিছু অ্যাকাউন্ট থেকেই ছড়ানো হচ্ছে। কিছু ক্ষেত্রে ভারত থেকে ফ্লাইট বন্ধ করার দাবি উঠলেও, বাস্তবে তেমন কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি।

Advertisement

এই আবহেই মুখ খুলেছে বিসিসিআই। বোর্ডের এক শীর্ষ কর্তা জানিয়েছেন, খেলোয়াড়দের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তাই তাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। প্রকৃত কোনও ঝুঁকি থাকলে কেন্দ্রীয় সরকার ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করা হত। বর্তমানে নিপা নিয়ে আতঙ্ক ছড়ানো ছাড়া আর কিছুই নয় বলেই মত বোর্ডের। উল্লেখ্য, বারাসাত ইডেন গার্ডেন্স থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে। ২০২৬ সালের টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ইডেনে ছ'টি ম্যাচ হওয়ার কথা, যার মধ্যে একটি সেমিফাইনালও রয়েছে। বিসিসিআই স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ম্যাচ সরানো নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি। অন্য ক্রিকেট বোর্ডগুলির তরফেও নিরাপত্তা নিয়ে কোনও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়নি। সরকারের পক্ষ থেকেও এখনও পর্যন্ত কোনও সতর্কতা জারি করা হয়নি।

সব মিলিয়ে, নিপা ভাইরাস নিয়ে উদ্বেগ থাকলেও পরিস্থিতি যে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে, তা সরকারি ও ক্রীড়া মহলের বক্তব্যেই পরিষ্কার।

Read more!
Advertisement
Advertisement