
Pakistan Super League- PSL-এর ড্রাফ্ট পদ্ধতি তুলে দিয়ে IPL-এর মতো নিলাম ব্যবস্থায় যেতে চলেছে PCB। ১১তম আসর শুরুর আগে এমন সিদ্ধান্ত ঘোষণায় নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে ক্রিকেট মহলে। PSL ২০১৬ সাল থেকে ড্রাফ্ট সিস্টেম ব্যবহার করছিল। তবে এবার সেই নিয়ম পুরোপুরি বাদ। PCB জানাচ্ছে, নিলাম ব্যবস্থা চালু হলে স্বচ্ছতা বাড়বে এবং প্রতিটি দল প্রয়োজন অনুযায়ী খেলোয়াড় নেওয়ার বেশি সুযোগ পাবে।
বোর্ডের তরফে জানানো হয়েছে, ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলির পার্স বাড়ানো হচ্ছে। এতদিন ১.৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে সীমাবদ্ধ ছিল বাজেট, এবার তা বাড়িয়ে ১.৬ মিলিয়ন করা হয়েছে। PCB-র দাবি, এতে দলগুলোর ব্যালেন্স উন্নত হবে এবং খেলোয়াড়দের আয়ের সুযোগও বাড়বে। IPL-এ নিলাম ব্যবস্থার সাফল্য চোখে পড়ার পর PSL-এও অনেকে এই পরিবর্তনের দাবি তুলছিল। NFL বা NBA-র মতো ড্রাফ্ট পদ্ধতি PSL-এ দীর্ঘদিন ধরে চললেও, আন্তর্জাতিক টি-২০ লিগের বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়তেই নিয়ম বদলের সিদ্ধান্ত।
PSL-এর সিইও সালমান নাসির স্পষ্ট বলেছেন, ড্রাফ্ট থেকে নিলাম পদ্ধতিতে যাওয়াটা লিগের দীর্ঘমেয়াদী বৃদ্ধির জন্য জরুরি। তাঁর কথায়, এই পরিবর্তন দলগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতার ভারসাম্য তৈরি করবে এবং পুরো সিস্টেমকে আরও স্বচ্ছ করবে। খেলোয়াড়দের বাজারমূল্যও বাড়বে, ফলে তারাও নতুন সুযোগ পাবে।
নতুন নিয়মে রিটেনশনেও বড় কাটছাঁট। এতদিন একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি আট জন পর্যন্ত খেলোয়াড় ধরে রাখতে পারত। সঙ্গে থাকত মেন্টর, ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর এবং ‘রাইট টু ম্যাচ’ সুবিধা। কিন্তু এবার সর্বোচ্চ চার জন খেলোয়াড় রাখা যাবে। আগের বাড়তি সুবিধাগুলো পুরোপুরি বাতিল করা হয়েছে। নতুন সংযুক্ত হওয়া হায়দরাবাদ এবং সিয়ালকোট দল দুইটি নিলামের আগে চার জন করে খেলোয়াড় নিতে পারবে। সঙ্গে এক জন বিদেশি খেলোয়াড়কে সরাসরি সাইন করার ছাড় মিলবে, তবে সেটা PSL ১০-এ করা যাবে না।
এদিকে আগামী ২৬ মার্চ থেকে শুরু হচ্ছে PSL-এর ১১তম মরসুম। এবার নতুন করে ফয়সলাবাদকে ভেন্যুর তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে। নিলাম পদ্ধতিতে লিগের আকর্ষণ বাড়বে বলেই আশা PCB-র, আর ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরাও বলছেন PSL এখন আন্তর্জাতিকভাবে আরও প্রতিযোগিতামূলক হতে চাইছে।