
টি২০ বিশ্বকাপে একেবারেই ছন্দে নেই অভিষেক শর্মা। তাঁর পার্টনার ঈশান কিষান কিন্তু ঘরোয়া ক্রিকেটের দুর্দান্ত ফর্ম ধরে রেখেছেন। আর অভিষেক তিন ম্যাচেই আউট হয়েছেন খাতা খুলতে না পেরে। ফলে সুপার এইটের আগে তাঁর উপর চাপ বাড়বে সেটাই স্বাভাবিক। এই ০-র হ্যাটট্রিকের রেকর্ডে তাঁর নাম জুড়ে গিয়েছে আশিস নেহেরার সঙ্গে। আশিস বোলার ছিলেন। অভিষেক ওপেনার।
ভারতীয় দল পাকিস্তানের বিরুদ্ধেও সমস্যায় পড়েনি। তবে, যদি কোনওদিন দ্রুত আরও কয়েকটা উইকেট হারাতে হয়, তখন কী হবে? চাপ বাড়বে মিডল অর্ডারের উপর। ফলে সমস্যা হবে গোটা দলের। আর সে কারণেই অপেনিং জুটি ভাল হওয়া জরুরী। মনে রাখতে হবে, ভারত গ্রুপ পর্বে পাকিস্তান ছাড়া আর কোনও বড় দলের বিরুদ্ধে খেলেনি। সুপার এইটে ৩টে করে ম্যাচ। ফলে হারলেই বিদায়ের সম্ভাবনা। সেখানে কোচ গৌতম গম্ভীররা কি এবারের বিশ্বকাপে রান না পাওয়া বিশ্বের ১ নম্বর টি২০ ব্যাটারকে দল থেকে বাদ দেবেন?
অভিষেকের বিকল্প কে?
অভিষেকের জায়গায় দলে আসতে পারেন সঞ্জু স্যামসন। তবে তিনিও যে খুব ভাল ছন্দে আছেন সেটা বলা যাবে না। বিশ্বকাপের আগে নিউজিল্যান্ড সিরিজে তিনি সুযোগ পেয়েছিলেন। তবে কাজে লাগাতে পারেননি। প্রথম ম্যাচে ৫ বলে ৬ রান করে আউট হন। দ্বিতীয় ম্যাচে গোল্ডেন ডাক। তৃতীয় ম্যাচে ১৫ বলে ২৪ রান আসে তাঁর ব্যাট থেকে। এরপরের ম্যাচে ফের ব্যর্থ। ৬ বলে ৬ রান করে ফেরেন সঞ্জু।
তবে নামবিয়ার বিরুদ্ধে একটা বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলেছেন সঞ্জু। কারণ সেদিনই হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান অভিষেক। সেই ম্যাচে ৮ বলে ২২ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেছিলেন ভারতের এই উইকেটকিপার ব্যাটার। তবে একটা বিষয় পরিস্কার, ভারতের ওপেনিং জুটি নিয়ে চাপ আছে। যদিও অভিষেক এই মুহূর্তে বিশ্বের ১ নম্বর ব্যাটার। ধারাবাহিকতা দেখানে না পারলে এই জায়গায় আসা যায় না। ফলে কিছু টেকনিক্যাল সমস্যার সমাধান বা মানসিকতার বদল অভিষেককে রানে ফেরাতে পারে।
ভারতীয় দলে এমন অনেক ক্রিকেটার রয়েছেন যারা অভিষেককে এই সমস্যা থেকে বের করে আনতে পারেন। কোচ গৌতম গম্ভীর আছেন। বড় মঞ্চে তাঁর রান করার রেকর্ড আছে। ফলে অভিষেক সেই গুরুমন্ত্র নিয়ে ঘুরে দাড়াতে পারেন কিনা সেটাই দেখার।