
সব ঠিক থাকলে ২০২৬-২৭ মরশুম থেকে ভারতের এক নম্বর ফুটবল লিগ আইএসএল আগামী ১৫ বছরের জন্য প্রায় ২২০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ পেতে চলেছে। যা এফএসডিএল-এর দেয়া অর্থের থেকেও বেশি। অর্থাৎ আইএসএলের মার্কেটিং পার্টনার হতে চলা লন্ডনের জিনিয়াস স্পোর্টস বছরে ৬৫ কোটি ঢাকা দেবে অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশনকে। জিনিয়াস স্পোর্টসের সঙ্গে চুক্তিতে সিলমোহর পড়বে কাল রবিবার দিল্লিতে এআইএফএফের এক্সিকিউটিভ কমিটির মিটিংয়ে।
গত ১৫ বছরে দেশের ফুটবল মার্কেটিংয়ের ২১ প্রপার্টির দায়িত্ব নিয়ে রিলায়েন্স স্পোর্টস বা এফএসডিএল দিত বছরে ৫০ কোটি টাকা করে। এফএসডিএলের সঙ্গে গত বছর ৬ ডিসেম্বর চুক্তি শেষ হওয়ার পরে ভারতীয় ফুটবল কার্যত অন্ধকারে চলে গিয়েছিল। আইএসএল চার মাস পরে শুরু হয়েছে কোনও মার্কেটিং পার্টনার ছাড়াই। ফ্যানকোড মিডিয়া স্বত্ব নেওয়ায় অবশ্য বিরাট ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে না এআইএফএফ বা ক্লাবগুলোকে।
এই অবস্থায় ফেডারেশন প্রেসিডেন্ট কল্যাণ চৌবে আর সেক্রেটারি জেনারেল সত্যনারায়ণ ক্লাবগুলোর সঙ্গে কথা বলে ঠিক করেছিলেন, নতুন মরশুমের জন্য মার্চ মাসের মধ্যেই মার্কেটিং পার্টনার ঠিক করে ফেলবেন। সেই মতো ফেডারেশন মার্কেটিং পার্টনার চেয়ে টেন্ডার ডেকেছিল। শুক্রবার ছিল টেন্ডার জমা দেওয়ার শেষ দিন। দেখা যাচ্ছে, আইএসএল ও ফেডারেশন কাপ ফুটবলের জন্য টেন্ডার জমা করেছে জিনিয়াস স্পোর্টস ও ফ্যানকোড। বছরে ৬৫ কোটি টাকা, সঙ্গে প্রতি বছর ৫ শতাংশ হারে বৃদ্ধির সঙ্গে ফেডারেশন কাপে আরও বাড়তি টাকা দিতে রাজি হয়েছে জিনিয়াস স্পোর্টস। তারা ২০ বছরের চুক্তি চেয়েছিল। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশানুসারে ১৫ বছরের বেশি একটানা চুক্তি করা যাবে না বলেই ফেডারেশন তাতে রাজি হতে পারেনি।
মেয়েদের ফুটবলের আইডব্লিউএল ও আইডব্লিউএল-টুয়ের মার্কেটিং স্বত্ব নিতে চলেছে ক্যাপ্রি স্পোর্টস। এর জন্য তারা বছরে সাড়ে চার কোটি টাকা দেওয়ার লিখিত আবেদন করেছে। জিনিয়াস স্পোর্টস খেলার ভিডিয়ো ও তথ্য দেয় ইপিএল, স্কটিশ লিগে। সঙ্গে বেটিং সংস্থাকেও। তাই এ জন্য কোনও আইনি বাধা আসবে কি না খতিয়ে দেখবেন ফেডারেশন কর্তারা।
এ দিকে, কোচিতে এএফসি এশিয়ান কাপ কোয়ালিফায়ারে হংকংয়ের বিরদ্ধে কোচিতে ম্যাচের আগে প্রস্তুতিতে জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়ামে ঢোকার সময়ে বাধা দেওয়া হয় জাতীয় টিমের কোচ খালিদ জামিল ও কয়েকজন ফুটবলারকে। জানা যায়, এর পিছনে আছে কেরালা ফুটবল সংস্থা ও গ্রেটার কোচি ডেভেলপমেন্ট অথরিটির (জিডিসিএ) পেমেন্ট সংক্রান্ত ঝামেলা। তা পরে মিটে গিয়েছে।