আবার কলকাতা লিগের সুপার সিক্সে উঠে গেল ইমামি ইস্টবেঙ্গল (Emami East Bengal)। আর এর জেরে বিদায় নিশ্চিত হল মোহনবাগান সুপার জায়েন্টের (Mohun Bagan Super Giant)। শুক্রবারের ম্যাচের আগে একটা পয়েন্ট দরকার ছিল লাল-হলুদের। আর এর মধ্যেও জয় দিয়ে গ্রুপ পর্বের অভিযান শেষ করল ইস্টবেঙ্গল। শুক্রবারের ম্যাচে লাল-হলুদ বাহিনী জিতল ৩-১ গোলে।
দারুণ ছন্দে ইস্টবেঙ্গল
শুধু তাই নয়, ২৩ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ শীর্ষে থাকল বিনো জর্জের দল। গতবাররে মতো এবারেও কলকাতা লিগে ইস্টবেঙ্গল যেন অশ্বমেধের ঘোড়া। গতবারের চ্যাম্পিয়ন কারা তা এখনও ঠিক না হলেও, এ মরসুমে ফের শিরোপা জেতার লড়াইয়ে ফের ভাল জায়গায় লাল-হলুদ। কালিঘাট এম এসের বিরুদ্ধে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে গোল ডেভিড,গুইতে,শ্যামল বেসরার। পেনাল্টি থেকে কালিঘাট এম এসের গোল দেবদত্তর।
কী হল ম্যাচে?
ম্যাচের প্রথম থেকেই আক্রমণে যাচ্ছিল ইস্টবেঙ্গল। ২৫ মিনিটে পিভি বিষ্ণুর পাস থেকে প্রথম গোল ডেভিডের। তার আগে বিষ্ণু,ডেভিড গোলের সুযোগ নষ্ট করেন। পাল্টা কালিঘাটও গোল করার চেষ্টা চালিয়েছিল। কিন্তু রাজেন ওঁরাও ঈশান সাহিলরা লাল-হলুদ রক্ষন ভাঙতে পারেননি।
দারুণ খেলেছেন গুইতে
বিরতির পরে আমন সিকের বদলে পেকা গুইতেকে নামান বিনো জর্জ। ইস্টবেঙ্গলের আক্রমনে ঝাঁজ বাড়ে। ৫২ মিনিটে বাঁদিক থেকে ডেভিডের সেন্টার ধরে গুইতে দলের দ্বিতীয় গোলটি করেন। গুইতে এবার লাল-হলুদ মাঝমাঠের বড় আবিষ্কার। গোল করা এবং করানোর ক্ষেত্রে দক্ষ। মাঠে নামলে কোচের চিন্তা দূর হয়। প্রতিপক্ষের চিন্তা বাড়ে। ইস্টবেঙ্গলের তিন নম্বর গোল শ্যামল বেসরার। ৮৭ মিনিটে বিষ্ণুর পাস থেকে বক্সের বাইরে থেকে দুরন্ত প্লেসিংয়ে দিনের সেরা গোল শ্যামলের। তিন গোলে জয় স্কোরবোর্ড বলছে। বাস্তবে ছবিটা আরও বড় হত যদি বিষ্ণু,সায়ন সুযো নষ্ট না করতেন। ইস্টবেঙ্গল প্রথম ছয়ে নিশ্চিত। কাস্টমস,পুলিশ এসি,সুরুচি বাকি দুটো জায়গার জন্য লড়াই করবে। বিদায় মোহনবাগান সুপারজায়ান্টের।
একদিকে কলকাতা লিগে খেলতে নেমে যখন ধুঁকছে মোহনবাগান সুপার জায়েন্ট ও মহমেডান স্পোর্টিং-এর মতো বড় দলগুলো তখন নিজেদের দল দারুণভাবে গুছিয়ে নিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। প্রয়োজনমতো সিনিয়রদের সঙ্গে জুনিয়র দলের ফুটবলারদের খেলিয়ে বাজিমাত করছে স্থানীয় লিগে। শুধু তাই নয়, টিম ম্যানেজমেন্টও বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে এই লিগকে।