
ইস্টবেঙ্গল সমস্যায় পড়েছে ডিফেন্ডার কেভিন সিবিলের চোট নিয়ে। আইএসএল শুরুর আগেই চোট পেয়েছিলেন কেভিন। এখনও তিনি মাঠে নামার মতো জায়গায় নেই। তিনি না থাকায় আনোয়ার আলির সঙ্গে স্টপার হিসেবে খেলতে হচ্ছে জিকসন সিং-কে। ডিফেন্সিভ মিডফিল্ড ছেড়ে তাঁকে খেলতে হচ্ছে এই জায়গায়। কবে ফেরত আসবেন কেভিন? বড় আপডেট দিলেন কোচ অস্কার ব্রুজো।
শনিবার ঘরের মাঠে কেরল ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে খেলতে নামছে ইস্টবেঙ্গল। সেই ম্যাচের আগে কেভিনের চোটের অবস্থা নিয়ে মুখ খুলেছেন অস্কার। সাংবাদিক সম্মেলনে অস্কার বলেন, 'দুই দিন আগে যে শেষ মেডিক্যাল রিপোর্ট আমরা পেয়েছি, তাতে দেখা যাচ্ছে কেভিনের চোটটা অনেকটাই সেরে উঠছে। অবস্থা আগের চেয়ে অনেক ভাল, তবে পেশির যে টান রয়েছে তা পুরোপুরি সেরে উঠতে এখনও প্রায় পাঁচ থেকে সাত দিন লাগবে। তারপর ওকে আবার রিহ্যাব শুরু করতে হবে। তাই ফিফা আন্তর্জাতিক বিরতির আগে কেভিনকে পাওয়ার আশা করবেন না। তবে আইএসএলের শেষ সাতটি ম্যাচে সে দলের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হয়ে উঠবে।'
ফিরছেন সল
জামশেদপুর ম্যাচেই স্পষ্ট হয়েছিল, মিগুয়েলকে আটকে দিলেই ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণের সাপ্লাই লাইন প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। একই কৌশল ব্যবহার করে এফসি গোয়াও সমস্যায় ফেলেছিল লাল-হলুদকে। তার উপর সউল ক্রেম্পো না থাকায় মাঝমাঠে ভারসাম্য নষ্ট হয়েছিল। গোয়ার বিরুদ্ধে নাওরেম মহেশ সিংকে দিয়ে। শুরু করলেও খুব একটা সুবিধা হয়নি মিগুয়েল-রশিদদের। তাই কেরালার বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে 'ফিট' সউল ক্রেম্পোকে ফেরানোর জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। সউল ফিরলে মাঝমাঠে ভারসাম্য বাড়বে এবং মিগুয়েল ও রশিদ আরও স্বাধীনভাবে খেলতে পারবেন। সেই মতো এদিন মূল দলের সঙ্গে অনুশীলনও করছেন সল।
সামান্য সেটের জন্য এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে খেলতে পারেননি জয় গুপ্তা। কেরালার ম্যাচে তাঁর একাদশে ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে। গোয়ার বিরুদ্ধে নুঙ্গা বা-প্রান্ত থেকে আক্রমণে সেইভাবে সাহায্য করতে পারেননি। তাই তিনি নাকি জয় গুপ্তা, কে শুরু করবেন সেই ব্যাপারে এখনও কিছুটা ধোঁয়াশা রয়েছে। এদিন অনুশীলনে দীর্ঘা সময় ধরে ক্রস থেকে গোলের মহড়া চলে। কেরালার বিরুদ্ধে ম্যাচে দুই উইংয়ে পিভি বিষ্ণু ও বিপিন সিংকে ব্যবহার করতে পারেন অস্কার। তবে অ্যান্টন সজবার্গ এ দিনও মূল অনুশীলনে নামেননি। কয়েক পাক দৌড়ের পর আলাল করে ফিজিক্যাল ট্রেনিং করেন তিনি। সূত্রের খবর, তাঁর হালকা নক রয়েছে।