
এবার গোকুলাম কেরল এফসি-র বিরুদ্ধেও দারুণ জয় তুলে নিল ইস্টবেঙ্গলের (East Bengal)মেয়েরা। ম্যাচের ফল ৩-০। এবারের ইন্ডিয়ান উইমেন্স লিগে যেন অপ্রতিরদ্ধ লাল-হলুদের মেয়েরা। একটা সময়েই গোকুলাম দারুণ দল ছিল। তাদের হারাতে তো বটেই, এমনকি ড্র করতে গেলেও বেগ পেতে হত ইস্টবেঙ্গলের মেয়েদের। তবে সাফ চ্যাম্পিয়নরা এবারে যে ফর্মে তাতে তাদের রোখার মত প্রায় কাউকেই পাওয়া যাচ্ছে না।
হাই প্রেস আর সুযোগ কাজে লাগানোর জন্য ফাজিলা ইকয়াপুটের ফিনিশ, এটাই যেন লাল-হলুদের সাফল্যের রসায়ন। এর সঙ্গে গোকুলাম গোলকিপার শ্রেয়া হুডা যা করলেন, তাতে লাল-হলুদের মেয়েদের আরও বেশি সুবিধা হয়ে গেল। কারণ, ৩টের মধ্যে দুটো গোলের ক্ষেত্রে নিজের দায় অস্বীকার করতে পারেন না। দুইবারই তাঁর ভুলে পিছিয়ে পড়তে হয় দলকে। শেষে সুলঞ্জনার করা গোলের দিকে দেখলে তো মনে হচ্ছিল, হাতে বাটার লাগিয়ে এসেছেন গোকুলাম গোলকিপার।
ম্যাচের ৩৫ মিনিটের মাথায় প্রথম গোল পেয়ে যায় ইস্টবেঙ্গলের মেয়েরা। গোল করেন সেই ফাজিলা ইকুয়াপুট। এটা এবারের আইডাব্লুএল-এ তাঁর নবম গোল। বাঁ দিক থেকে আশালতা দেবির বাড়ানো ফ্লোটার গোকুলাম ডিফেন্ডাররা ক্লিয়ার করতে পারেননি। ফাঁকায় দাঁড়িয়ে থাকা আস্তাম ওঁরাও বল রিসিভ করে স্কোয়ারে পাস দিয়ে দেন ফাজিলাকে। তিনিও ফাঁকায় দাঁড়িয়ে ছিলেন ফলে গোলে বল ঠেলতে ভুল করেননি তিনি।
আশালতা দেবীর কর্নার থেকে রেস্টি বল পায়ে পেয়ে যান। তাঁর শট গোকুলাম গোলকিপার শ্রেয়া হুডা ঠিকভাবে বলটা ধরতেই পারেননি। তাঁর হাত ফসকেই বল ঢুকে যায় গোলের মধ্যে। ২ গোলে এগিয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল। সাফ কাপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর থেকে দারুণ ছন্দে ইস্টবেঙ্গলের মেয়েরা। ৭৬ মিনিটে শ্রেয়া হুডা আবার ভুল করলে গোল পেয়ে যান সুলঞ্জনা রাউল। তাঁর হেডার একেবারেই ধরতে পারেননি গোকুলাম গোলকিপার। এই জয়ের ফলে শীর্ষস্থান আরও পাকা হল অ্যান্থনি অ্যান্ড্রুজের দলের।