
বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতি ম্যাচে খেলবে সমস্ত দলই। খেলবে পর্তুগালও। তবে দলে থাকবেন না ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। চোটের আশঙ্কাতেই কি এই পদক্ষেপ নিচ্ছে পর্তুগাল? আসলে গত মাসেই আল নাসেরের হয়ে খেলতে গিয়ে হ্যামস্ট্রিং-এ চোট পান সিআর সেভেন। আর সেই কারণেই তাঁকে দলে নেওয়ার ঝুঁকি নেননি কোচ রবার্তো মার্টিনেজ।
বিশ্বকাপে খেলতে পারবেন তো রোনাল্ডো?
বিশ্বকাপের কয়েকমাস আগে তাঁর হ্যামস্ট্রিং-এ চোট সমস্যা বাড়িয়ে দিয়েছে পর্তুগালের। তিনি কি আদৌ খেলতে পারবেন? মার্টিনেজ বলেন, 'কেউ সেই নিশ্চয়তা দিতে পারবে না। নিশ্চিত হলে এখনই ডাকতাম!’ তবে তাঁকে পাওয়ার আশা এখনও রয়েছে। এমনটাই মনে করেন পর্তুগাল কোচ। সে কথাও বললেন। জানালেন, চোট ছোটখাট। এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে মাঠে ফেরার জোরালো সম্ভাবনা। বিশ্বকাপে রোনাল্ডোর অংশগ্রহণে 'ঝুঁকি নেই' এখন অন্তত এমনটাই বক্তব্য পর্তুগাল কোচের। সঙ্গে যোগ করলেন, ‘ফুটবল বডি কন্টাক্ট স্পোর্ট। চোট লাগবেই। আল-নাসরেও এখনও খেলা বাকি। সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়!’
দারুণ ছন্দে রোনাল্ডো
সৌদি প্রো লিগে ২১টি গোল করে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে এগিয়ে। আল-নাসের পয়েন্ট তালিকায় শীর্ষে। ২০১৪ সালেও বিশ্বকাপে এমন ঘটনাই ঘটেছিল। হাঁটুর চোটের কারণে গোটা টুর্নামেন্টে সেভাবে খেলতেই পারেননি তিনি। মাত্র একটা গোল ছিল তাঁর। শেষ ষোলতেই দলকে বিদায় নিতে হয়। আর সেই স্মৃতিই ফের ফেরত আসবে না তো? যদিও মার্টিনেজ আশাবাদী। বলেন, ‘আমার দায়িত্ব সেরা পরিবেশ তৈরি করা। প্রতিটা খেলোয়াড় যেন পর্তুগালের হয়ে খেলার আনন্দ পান।’
১১ জুন শুরু হচ্ছে বিশ্বকাপ (FIFA World Cup 2026)। পর্তুগাল গ্রুপ কে-তে রয়েছে কলম্বিয়া ও উজবেকিস্তানের সঙ্গে। চতুর্থ দল প্লে-অফ থেকে আসবে। ২৮ মার্চ মেক্সিকো সিটিতে মেক্সিকো ও ৩১ মার্চ আটলান্টায় আমেরিকার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নামছে।
প্রীতি ম্যাচের জন্য পর্তুগাল স্কোয়াড: দিয়েগো কস্টা, হোসে সা, রুই সিলভা, ম্যাথিউস নুনেস, দিয়েগো ডালট, জোয়াও ক্যানসেলো, নুনো মেন্ডেস, গনজালো ইনাসিও, রেনাতো ভেইগা, আন্তোনিও সিলভা, টমাস আরাউজো, রুবেন নেভেস, সামু কস্তা, মাতেউস ফার্নান্দেস, জোয়াওরো, জোয়াও, নুনো মেন্ডেস, মোয়াস ফারনান্দেস, রিকার্ডো হোর্তা, পেদ্রো গনজালেস, জোয়াও ফেলিক্স, ফ্রান্সিসকো ত্রিনকাও, ফ্রান্সিসকো কনসিকাও, রাফায়েল লিও, পেদ্রো নেটো, গনকালো গুয়েদেস, গনজালো র্যামোস