
তাঁর চোট নিয়ে জল্পনা চলছিল। তিনি কি বিশ্বকাপে নামতে পারবেন? এই জল্পনার মাঝেই জবাব দিয়ে দিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। বিশ্বকাপের আগে পর্তুগালের দুই প্রস্তুতি ম্যাচে চোটের জন্য দলে ছিলেন না। তবে সৌদি প্রো লিগে খেলতে নেমেই করে ফেললেন দুই গোল। এর জেরে তাঁর ক্লাব আল নাসের অনেকটাই এগিয়ে গেল ট্রফি জেতার লড়াইয়ে।
ফলে রোনাল্ডোর ফিটনেস নিয়ে প্রশ্ন তোলার আর কোনও জায়গাই থাকল না। হ্যামস্ট্রিং-এ চোটের কারণে তাঁকে পর্তুগালের হয়ে দুই ম্যাচে খেলতে দেখা যায়নি। তিনি ফের মাঠে নামতেই বদলে গেল গোটা দলের চিত্র। আল নাসেরের হয়ে প্রথম লিগ জেতার আরও কাছে এসে গেল আল নাসের। ৮৬ মিনিট অবধি মাঠে থেকে তিনি উঠে যাওয়ায় তাঁর ফিটনেস নিয়ে প্রশ্নও তোলার আর জায়গা থাকল না। ফলে হাঁফ ছেড়ে বাঁচলেন তাঁর ফ্যানরা।
এতদিন মাঠের বাইরে থাকার পরও, ৪১ বছর বয়সী এই খেলোয়াড়ের খেলায় কোনো জড়তার ছাপ দেখা যায়নি, এবং তিনি এর মধ্যেই তাঁর ক্যারিয়ারের মোট গোল সংখ্যা ৯৬৭-তে নিয়ে যান। তাঁর এই পারফরম্যান্স এই মরসুমে আল-নাসরের শিরোপা জয়ের লড়াইয়ে তাঁর গুরুত্বকে আরও একবার প্রমাণ করেছে।
রোনাল্ডো তাঁর প্রথম গোল তুলে নেন ৫৬ মিনিটে। পেনাল্টি থেকে গোল করেন সিআর সেভেন। বক্সের ভেতরে হ্যান্ডবলের জন্য আল-নাজমার ফুল-ব্যাক আবদুল্লাহ আল হাওসাওয়ির বিরুদ্ধে পেনাল্টি দেওয়া হলে এই সুযোগটি আসে। রোনাল্ডো শান্তভাবে স্পট-কিক থেকে গোল করে যান। তবে পর্তুগিজ অধিনায়ক তখনও থেমে যাননি। নাওয়াফ বুশেলের একটি চমৎকার পাস ধরে শান্ত ও নিপুণভাবে ফিনিশ করে এই ম্যাচে তিনি নিজের গোলসংখ্যা দ্বিগুণ করেন। তার দ্বিতীয় গোলটি কার্যত ম্যাচের ফলাফল নিশ্চিত করে দেয় এবং গোলের সামনে তাঁর নিখুঁত দক্ষতার পরিচয় দেয়।
এখন আল নাসের তাদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আল-হিলালের চেয়ে চার পয়েন্টে এগিয়ে আছে। যাদের হাতে এখনও একটি ম্যাচ বাকি এবং তারাও চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লড়াইয়ে দারুণভাবে টিকে রয়েছে।