
আজ ঘরের মাঠে স্পোর্টিং দিল্লির বিরুদ্ধে আইএসএল-এর দ্বিতীয় ম্যাচে নামছে ইস্টবেঙ্গল। প্রথম ম্যাচে নর্থ ইস্ট ইউনাইটেডকে ৩ গোলে জেতার পর, অনেকটা চনমনে লাল-হলুদ শিবির। দলে যোগ দিয়েছেন ড্যানিশ স্ট্রাইকার অ্যান্টন সয়বার্গ। দ্বিতীয়ার্ধে কোচ প্রয়োজন বোধ করলে তার অভিষেক ঘটতে পারে লাল হলুদ জার্সিতে।
ম্যাচ খেলার জন্য ফিট ঘোষণা করা হয়েছে রাকিপ-কে। মাথায় এখনো ব্যান্ডেজ রয়েছে যেখানে আটটি সেলাই আছে। তবে হেড ব্যান্ড পরে দরকারে নামানোর জন্য তৈরি রাকিপ।। মহেশ অনুশীলনে ফিরলেও ম্যাচ খেলার জন্য তৈরি নয় এখনো। তার ম্যাচ ফিট হতে আরো সপ্তাহ দুয়েক সময় লাগার সম্ভবনা। ফলে আরো ২ টি ম্যাচ সম্ভবত তার খেলার অবকাশ নেই।
সল ক্রেসপো আজ পুরোদমে অনুশীলন করেননি। মাঠে এসেছিলেন বেশিরভাগ সময় ড্রেসিং রুমে কাটান। তার কিছু সমস্যা রয়েছে যার কারণে গত ম্যাচের আগেও মাঠে অনুশীলনে পাওয়া যায়নি তাকে। তবে ম্যাচে দুর্দান্ত খেলেছিলেন। দিল্লির বিরুদ্ধেও কোচ তাকে পাবেন বলেই ধরছে ম্যানেজমেন্ট।। গত ম্যাচের দলের থেকে দিল্লি ম্যাচে বড় কোনো পরিবর্তন আসার সম্ভবনা নেই। শুধুমাত্র নন্দ কুমারের জায়গায় এডমুন্ড শুরু করলেও করতে পারেন।
কেভিন এখনো স্পেনে নিজস্ব চিকিৎসকের পরামর্শে ফিট হওয়ার লড়াই করছেন। আগামী সপ্তাহ দুয়েকের মধ্যে কলকাতায় ফিরবেন। ফলে প্রথম ৫-৬ টি ম্যাচে তার খেলার সম্ভবনা আপাতত নেই বললেই চলে। ফলে আনোয়ার আলি ও জিকসন সিংকে স্টপারে খেলাবেন কোচ অস্কার ব্রুজো। স্টবেঙ্গল কোচ বলেন, 'দিল্লি পুরোপুরি অচেনা নয় ৷ এর আগে কয়েকটি ম্যাচ খেলেছে ৷ ওরা পজেশনাল ফুটবল খেলে ৷ প্রচুর পাস খেলে মাঝমাঠের দখল নেওয়ার চেষ্টা করে ৷ সুপার কাপ ও আইএসএলের প্রথম ম্যাচে ওদের খেলা দেখে আমরা শনিবারের ম্যাচের পরিকল্পনা সাজাচ্ছি।'
দিল্লি ম্যাচের আগে কিছুটা খুশির খবর শোনালেন লাল-হলুদ হেডস্যার ৷ তাঁর কথায়, 'রাকিপ আগামিকালের ম্য়াচে 18 জনের দলে থাকবে ৷ মহেশ আগামী 15 দিনের মধ্যে ফিট হয়ে যাবে ৷ কেভিন আগামী সপ্তাহেই স্পেন থেকে চলে আসছে ৷ নতুন বিদেশি অ্যান্টন (সোবার্গ) ডেনমার্ক থেকে চুটিয়ে ট্রেনিং করছে । ফিটনেস সংক্রান্ত সমস্যা তাঁর নেই ৷'