
এর আগে ভোটের জন্য বাতিল হয়েছে মোহনবাগান সুপার জায়েন্ট ও ইস্টবেঙ্গলের ম্যাচ। ডার্বির পর ইদের কারণে পেছতে হয়েছে মিনি ডার্বিও। আর এবার বিধানসভা নির্বাচনের জন্য পিছোতে পারে মোহনবাগান বনাম ইন্টার কাশী ম্যাচ। ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোট। তার দু'দিন আগে অর্থাৎ ২৬ এপ্রিল যুবভারতী স্টেডিয়ামে আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের দলের বিরুদ্ধে ম্যাচ।
কবে হতে পারে ম্যাচ?
সূত্রের খবর, ম্যাচ আয়োজনে প্রশাসনিক অনুমতি পাওয়া যাচ্ছে না। শুরুতে শর্তসাপেক্ষে ম্যাচটি আয়োজনের কথা এগোলেও নির্বাচনের মাঝে কোনওরকম ঝুঁকি নিতে চাইছে না পুলিশ প্রশাসন। এই পরিস্থিতিতে বল সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের কোর্টে। পরিস্থিতি বিচার করে তারা যদি সূচি বদলাতে চায়, সেক্ষেত্রে ম্যাচটি পরে কবে আয়োজিত হবে, সেই নিয়ে আলোচনায় বসবে দুই ক্লাব। তবে ফেডারেশন যদি সূচি পরিবর্তন করতে না চায়, সেক্ষেত্রে দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে ম্যাচটি আয়োজিত হতে পারে। আগামী কয়েকদিনে বিষয়টি পরিস্কার হবে। নির্বাচনের দিন ঘোষণার পর থেকেই এই ম্যাচটিকে ঘিরে সংশয় ছিল।
দর্শক শূন্য মাঠে খেলা হওয়ার সম্ভাবনা কম
এমনিতেই ইন্টার কাশি দর্শকশূন্য মাঠেই তাদের আইএসএল-এর ম্যাচ খেলছে। তবে সমস্যা হতে পারে মোহনবাগান সুপার জায়েন্টকে নিয়ে। তারা কোনওভাবেই দর্শকশূন্য মাঠে খেলতে চাইবে না। আন্তোনিও লোপেজ হাবাস মোহনবাগানের অন্যতম সফল কোচ। তাঁর দলের বিরুদ্ধে ম্যাচ দেখতে আরও বেশি দর্শক আসবেন। কারণ, ভাল ছন্দে থাকা সবুজ-মেরুনের খেলা দেখতে প্রচুর দর্শক আসছেন। ফলে সেই টিকিটের টাকা লস করতে চাইবেন না বাগান কর্তারা। ফলে দর্শকশূন্য মাঠে ম্যাচ না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
বল ফেডারেশনের কোর্টে
এখন দেখার শেষ অবধি এই ম্যাচ নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নেয় ফুটবল ফেডারেশন। মোহনবাগান শুরুটা খুব ভাল করলেও, পরপর দুই ম্যাচে পয়েন্ট নষ্ট করে ফেলেছে মোহনবাগান। এখান থেকে ঘুরে দাঁড়াতেই হবে সবুজ-মেরুন ব্রিগেডকে। যদিও দলে যথেষ্ট ভাল মানের ফুটবলার রয়েছেন যারা যে কোনওদিন ম্যাচের রঙ বদলে দিতে পারে।