
বিধানসভা নির্বাচনের জন্য কলকাতা ডার্বির তারিখ বদল হতে পারে এমনটা শোনা যাচ্ছিল আগে থেকেই। আর বৃহস্পতিবার সেই জল্পনায় শিলমোহর পড়ে গেল। ৩ মে ডার্বি হওয়ার কথা থাকলেও, তা পিছিয়ে দিতে হচ্ছে। ১৭ মে হবে এই ডার্বি ম্যাচ। তবে শুধু মোহনবাগান বনাম ইস্টবেঙ্গলের এই লড়াই নয়, নির্বাচনের কারণে পিছিয়ে যাচ্ছে একাধিক ম্যাচ।
একের পর এক ম্যাচের সূচি বদলে যাচ্ছে
২৩ ও ২৯ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন। ফলে এই পর্বে আইএসএলের ম্যাচ আয়োজন সম্ভব নয়। তাই ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গেই বিপাকে পড়েছে ফেডারেশন। ২৪ এপ্রিল লাল-হলুদ ব্রিগেড বনাম পঞ্জাব ম্যাচ হচ্ছে না। বিকল্প হিসাবে ৭ এপ্রিল ম্যাচ আয়োজন করতে চেয়েছিল সর্বভারতীয় ফুটবল সংস্থা। কিন্তু সূত্রের খবর, তাতে সায় নেই কোচ অস্কার ব্রুজোঁ অর্থাৎ লাল-হলুদের।
অন্য রাজ্যে সরতে পারে ইস্টবেঙ্গলের ম্যাচ
বেশ কয়েকদিন ছুটির পর মঙ্গলবার ফের অনুশীলন শুরু হয়েছে মিগুয়েলদের। পুরো তৈরি হয়েই ম্যাচ খেলতে চান লাল-হলুদের স্প্যানিশ কোচ। সেক্ষেত্রে ১১ তারিখ অ্যাওয়ে যুদ্ধে চেন্নাইয়ানের বিরুদ্ধে খেলবেন মিগুয়েলরা। এখানেই শেষ নয়। সমস্যা আরও আছে। ২৮ এপ্রিল ইস্টবেঙ্গল বনাম ওড়িশা ম্যাচ যুবভারতীতে হওয়া অসম্ভব। কিন্তু তারিখ বদলাতে নারাজ সর্বভারতীয় ফুটবল সংস্থা। সেক্ষেত্রে কলকাতার বদলে ভিনরাজ্যে সরতে চলেছে এই ম্যাচটি। জামশেদপুরে মাঠ পাওয়া সমস্যার। সেক্ষেত্রে গোয়া রয়েছে বিকল্পের তালিকায়। দ্রুত এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাবে এআইএফএফ। উল্লেখ্য, মোহন বাগান বনাম ইন্টার কাশী ম্যাচও পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। ১২ মে যুবভারতীতে হাবাস ব্রিগেডের মুখোমুখি হবেন কামিন্সরা।
ISL-এর সূচি নিয়েই কেন বারবার জট?
এখন প্রশ্ন হল, ভোটের কথা তো অনেক আগেই জানা ছিল। আর সে কারণেই IPL-এর সূচি প্রকাশ করার ক্ষেত্রে সময় নিয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। তবে AIFF-এর ক্ষেত্রে চাপ খুব বেশি ছিল। এমনিতেই অনেকটা দেরিতে শুরু হয়েছে আইএসএল। ফলে কিছুটা হলেও তাড়াহুড়ো করেই সূচি প্রকাশ করতে হয়েছে এআইএফএফকে। কিন্তু ভোটের কথা মাথায় রেখে সূচি প্রকাশ করলে দর্শকদের সমস্যা হত না। বারবার ম্যাচের তারিখ বদলের ফলে দর্শকরাই এবার চাপে।