
আগেরদিনই বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে ড্র করে জয়রথ স্তব্ধ হয়েছিল মোহনবাগান সুপার জায়েন্টের (Mohun Bagan Super Giant)। তবে পরেরদিনই লিগ টেবিলের দুই নম্বরে থাকা জামশেদপুর এফসি (Jamshedpur FC) হেরে যাওয়ায় কিছুটা স্বস্তি পেল সবুজ-মেরুন। এদিন জামশেদপুর ১-২ গোলে হেরে যায় নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড এফসি-র বিরুদ্ধে। এর ফলে পয়েন্ট তালিকায় অনেকটাই পিছিয়ে পড়তে হল জামশেদপুরকে।
কোন দল কোথায়?
পরপর ম্যাচ জিতে দারুণ শুরু করেছিল মোহনবাগান সুপার জায়েন্ট। শনিবারের ম্যাচ ড্র করলেও টানা চার ম্যাচ জয় পায় সের্জিও লোবেরার দল। ৫ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে তারা। দুই নম্বরে রয়েছে জামশেদপুর। এই ম্যাচটা জিততে পারলে সবুজ-মেরুনকে টপকে যাওয়ার সুযোগ ছিল জামশেদপুরের সামনে। তবে সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারল না তারা। উল্টে হেরে গিয়ে কিছুটা ব্যাকফুটেই চলে যেতে হল।
ইস্টবেঙ্গল লিগ টেবিলে কোথায়?
ইস্টবেঙ্গল দারুণ শুরু করলেও, পরপর ম্যাচে পয়েন্ট নষ্ট করায় চাপে অস্কার ব্রুজোর দল। পরপর তিন ম্যাচে পয়েন্ট হারাল তারা। ৫ ম্যাচে আট পয়েন্ট রয়েছে তাদের ঝুলিতে। তবে বারবার এগিয়ে গিয়েও গোল খাওয়ার প্রবণতা বেশ সমস্যায় ফেলতে পারে লাল-হলুদ ক্লাবকে। এর মধ্যেই ক্লাব কর্তাদের একাংশের দিকে অসহযোগিতার অভিযোগ তুলে আলোচনার কেন্দ্রে অস্কার। এর মধ্যে দলও সেভাবে পারফর্ম করতে পারছে না। ফলে চাপ বাড়ছে। শনিবার কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে এগিয়ে থেকে ড্র-এর পর অস্কারকে গো ব্যাক স্লোগানও শুনতে হয়েছে। ফলে ইস্টবেঙ্গলের পরিস্থিতি কিছুটা হলেও চাপের।
কী অবস্থা মহমেডান স্পোর্টিং-এর?
মহমেডান স্পোর্টিং লিগ টেবিলের একেবারে শেষে রয়েছে। চার ম্যাচ খেলে ফেললেও একটাও পয়েন্ট পায়নি তারা। ফলে সাদা-কালো ব্রিগেডের সামনে অবনমন বাঁচানোর লড়াই। সেই কাজটা করতে পারলে মান রক্ষা হবে শতাব্দী প্রাচীন ক্লাবের। দলে একজনও বিদেশি না থাকায় লড়াইটা অনেকটা কঠিন মেহেরাজউদ্দিন ওয়াডুর দলের কাছে।
ম্যাজিক ফিগার কত?
এবারের লিগ বেশ ছোট। প্লে অফ নেই। ফলে লিগ পর্বে যারা জিতবে তারাই চ্যাম্পিয়ন। ১৩ রাউন্ডের এই লিগে ৩৯ পয়েন্টের আশেপাশে পেলেই লিগ নিশ্চিত হয়ে পারে। ফলে শুরু থেকেই দ্রুত পয়েন্ট তোলার লক্ষ্যে কলকাতার দুই প্রধান। সেই কাজে মোহনবাগান অনেকটাই সফল। যদিও ইস্টবেঙ্গলের সামনে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ এখনও রয়েছে।