
আবার ডার্বি জিতল ইস্টবেঙ্গল। নৈহাটিতে মোহনবাগান সুপার জায়েন্টের বিরুদ্ধে ২-০ গোলে জয় লাল-হলুদের। দুটি গোলই রিকি সিং-এর। প্রথমার্ধে ম্যাচে কোনও গোল না হলেও দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই এগিয়ে যায় বিনো জর্জের ছেলেরা। দলে সিনিয়র সদস্য সুহেল ভাট খেললেও গোল করতে পারেননি। শেষদিকে ১০ জনে খেললেও ইস্টবেঙ্গল দুর্গে ফাটল ধরাতে ব্যর্থ দেগি কার্ডজোর ছেলেরা।
৪৬ মিনিটে প্রথম গোল পায় ইস্টবেঙ্গল। এক্ষেত্রে ভাগ্য অনেকটাই সাথ দিয়েছিলো লাল-হলুদকে। মোহনবাগান ডিফেন্ডারের ক্লিয়ার করা বল রিকি সিং-এর পায়ে লেগে গোলে ঢুকে যায়। গোলকিপার প্রিয়াংশ বল ধরার চেষ্টা করে ঝাঁপালেও গোল আটকাতে ব্যর্থ হন। এরপর আক্রমণের ঝাঁজ বাড়ায় মোহনবাগান। তবে গোল আসেনি শক্ত ডিফেন্স ও ইস্টবেঙ্গল গোলকিপার জুলফিকারের তৎপরতায়। নিশ্চিত গোল বাঁচিয়ে গিয়েছেন তিনি।
ম্যাচ যত এগিয়েছে চাপ বাড়ানোর চেষ্টা করেছে মোহনবাগান। গোল করার মতো পরিস্হিতি হলেও জালে বল ঢোকাতে পারেনি সবুজ-মেরুন।
সুহেল ভাট ব্যর্থ। শিবমও কাজের কাজ করতে পারেননি। ফলে পরিস্থিতি জটিল হতে শুরু করে। এর মধ্যেই লাল কার্ড দেখে বেরিয়ে যেতে হয় ইস্টবেঙ্গলের অন্যতম ভরসা পেকা গুইতেকে। এতে সুবিধা তুলে নেওয়া তো দূরের কথা, গোল খেয়ে বসে মোহনবাগান। ম্যাচের ইনজুরি টাইমে ফের গোল করে দলের জয় নিশ্চিত করেন রিকি সিং। গোল এল সেই প্রতি আক্রমণ থেকেই। রোশণের শট কোনোমতে প্রিয়াংশু সেভ করলেও, ফিরতি বলে শট করে তা জালে জড়ান রিকি। এরপর আর ফিরে আসার কোনও জায়গা ছিল না মোহনবাগানের সামনে। অর্থাৎ ২-০ গোলে হেরেই মাঠ ছাড়তে হয় সবুজ-মেরুনকে। যদিও ম্যাচে আধিপত্য বিস্তার করার ক্ষেত্রে অনেকটাই এগিয়ে ছিল মোহনবাগান। তবে গোল করতে না পারার খেসারত দিতে হল তাদের।