
চোখে কালো সানগ্লাস, বল সেভ করতে করতেই জাগলিং। কেন এই অভিনব অনুশীলন বিশাল কাইতদের? মোহনবাগান অনুশীলনে আসা সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর কেউই দিতে পারলেন না। এক বিশেষ চশমা পরে বেশ কয়েকদিন অনুশীলন করতে দেখা যাচ্ছে বিশাল কাইথদের। এর কার্যকারিতা কী? কোথা থেকেই বা এল এই চশমা? পরে জানা গেল বাগানের গোলকিপিং কোচ ফ্রান মার্টিনেজ এই অভিনব প্রযুক্তির ব্যবস্থা করেছেন। চশমার ফ্রেমের দু'পাশে কালো আচ্ছাদন। অল্প অংশ দিয়ে দেখতে পাওয়া যায়।
কেন এই বিশেষ চশমা?
এই বিশেষ চশমা ব্যবহারের কারণ জানতে চাওয়া হলে বাগানের এক গোলরক্ষকের ব্যাখ্যা, 'যে কোনও পরিস্থিতিতে বলের ওপর থেকে যাতে চোখ না সরে, সেই অভ্যাস তৈরি করার জন্যেই এই চশমার ব্যবহার। বল যেদিকে যাবে, সেদিকে শুধু চোখ নয়, মাথাও ঘোরাতে হয়। চশমা দিয়ে শুধু সোজাসুজি দেখা যায়। মাথা না ঘোরালে দু'পাশে দেখা যায় না। তাই আড়াআড়ি শট বাঁচাতে বলে চোখ রাখার সময় যাতে মাথাও ঘোরানো হয়, সেই অনুশীলনের জন্যেই এই চশমার ব্যবহার।' এদিকে, শনিবার বিধাননগর মিউনিসিপ্যাল স্পোর্টস অ্যাকাডেমির সঙ্গে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে মোহনবাগান।
আইএসএল নিয়ে দীর্ঘ টালবাহানার জেরে যখন একের পর ক্লাব থেকে ফুটবলাররা চলে যাচ্ছেন, তখনই মোহনবাগান দল অটুট। এর জন্য বিশেষ কৃতিত্ব দিতেই হবে টিম ম্যানেজমেন্টকে। তাঁরা দলের ফুটবলারদের আশ্বস্ত করতে পেরেছেন। শুধু তাই নয়, ফুটবলাররাও ভরসা রেখেছেন, নজর রেখেছেন পরিস্থিতির দিকে।
এগিয়ে থেকেই আইএসএল অভিযান শুরু করছে মোহনবাগান
চির প্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গল এদিক থেকে কিছুটা হলেও সমস্যায়। দুই বিদেশি স্ট্রাইকার দল ছেড়েছেন, দলে নেই কোনও স্পেশালিস্ট গোলকিপার কোচ। শুধু তাই নয়, হাতে খুব বেশি সময় নেই। এর মধ্যে দুই স্ট্রাইকারকে সই করিয়ে তাদের দলের সঙ্গে মানিয়ে নিতে সময় দিতে হবে। পাশাপাশি গোলকিপার কোচ নতুন এলে তাঁকেও সময় দিতে হবে। ফলে ট্রফি ধরে রাখার এই লড়াইয়ে কিছুটা হলেও এগিয়ে থেকেই লড়াই নামতে চলেছে মোহনবাগান সুপার জায়েন্ট।