
জামশেদপুরে ফের আক্রান্ত মোহনবাগান সমর্থক। এদিন ম্যাচ শেষে স্টেডিয়াম ফেরত মোহনবাগান সমর্থক রাজীব রায়ের উপর আক্রমণ চালায় জামশেদপুর সমর্থকরা। মাথায় আঘাতের ফলে দশটি সেলাই পড়েছে রাজীবের। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন মোহনবাগান কার্যকরী কমিটির সদস্য অনুপম সাহু। তিনি টাটা মেইন হাসপাতালে নিয়ে যান রাজীবকে। সেখানেই তাঁর মাথায় স্ক্যান করা হয়।
পরীক্ষা করার পর তাঁর মাথায় দশটি সেলাই পড়েছে। আহত সমর্থকের খোঁজ নিয়েছেন মোহনবাগান সভাপতি দেবাশিস দত্ত ও সচিব সৃঞ্জয় বসু। এর আগেও জামশেদপুরে দলের ম্যাচ দেখতে এসে আক্রান্ত হয়েছেন মোহনবাগান সমর্থকরা। এবার তাই আলাদা স্ট্যান্ডের ব্যবস্থা করা হয়েছিল মোহনবাগান সমর্থকদের জন্য। তার পরেও এক সমর্থককে আক্রান্ত হতে হল। আহত সমর্থক রাজীব রায় বলছিলেন, 'এই প্রথমবার আমরা এসেছিলাম অ্যাওয়ে ম্যাচ দেখতে। প্রথমবারে এসেই আক্রান্ত হতে হল আমাদের। অকথ্য গালিগালাজের পাশাপাশি মাথায় আঘাত করেছে। ওরা দশ-বারোজন আমাদের আক্রমণ করেছিল।'
মোহনবাগান কর্তারা বিষয়টির প্রবল নিন্দা করেছেন। আপাতত আহত সমর্থকদের পাশে রয়েছেন তাঁরা। রাজীব বালির বাসিন্দা। তাঁর সঙ্গে জামশেদপুরে এসেছিলেন বন্ধু শুভময় জানা। এর মধ্যে এমন পরিস্থিতিতে পড়তে হওয়ায় তিনিও বিরক্ত।
ড্র করে মাঠ ছাড়ল মোহনবাগান
জেতা ম্যাচ হাতছাড় আক্রল মোহনবাগান সুপার জায়েন্ট। ম্যাচের ১৬ মিনিটে লিস্টন কোলাসোর দর্শনীয় গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর, ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে মনোযোগের ভুলে খেতে হল গোল। ১-১ স্কোরে ম্যাচ শেষ হওয়ায় শীর্ষে যাওয়া হল না সবুজ-মেরুনের। দুই নম্বরেই থাকতে হল তাদের। বারবার সুযোগ পেয়েও গোল করতে না পারার ব্যর্থতা ভাবাচ্ছে মোহনবাগানকে। একের পর এক নামি দামি স্ট্রাইকার থাকা সত্ত্বেও কেন কাজের কাজ করতে পারছেন না মোহনবাগান ফুটবলাররা তা সত্যিই ভাবার বিষয় টিম ম্যানেজমেন্টের কাছে। যদিও হেড কোচ সের্জিও লোবেরা এখনও লিগ জেতার ব্যাপারে আশাবাদী। সুযোগ রয়েছে অঙ্কের হিসেবেও।