
চিকিৎসকদের আপত্তি উড়িয়েই স্যান্টোসের হয়ে খেলতে নেমে গেলেন নেইমার জুনিয়র। করলেন গোলও। চোট পাওয়া ব্রাজিলিয়ান তারকা বিশ্বকাপে খেলতে পারবেন কিনা তা সন্দেহ। তবে নিজেকে প্রমাণের লড়াইও চলছে তাঁর। পরের বছর বিশ্বকাপে ব্রাজিলের জার্সি পরার জন্য মরিয়া তিনি। তবে পুরোপুরি ফিট না হওয়া নেইমারকে কি আদৌ খেলাবেন ব্রাজিল কোচ কার্লো আনসালত্তি?
দুই বছরের বেশি সময় তাঁর গায়ে বিখ্যাত হলুদ জার্সি ওঠেনি। যোগ্যতা অর্জন পর্বে ডাক পাননি। ক্রমাগত ভোগাচ্ছে চোট–আঘাতের সমস্যা। এক ম্যাচে ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত দিলেও পরের ম্যাচে চোটের জন্য মাঠে নামতে পারছেন না। ফলে তিনি বিশ্বকাপে খেলবেন কিনা সেটা বলা বেশ মুশকিল। যদিও ব্রাজিলের বর্তমান অধিনায়ক মারকিউনোস বলেছেন, ‘নেইমারের কাজটা সহজ নয়। যদি ও ফিট থাকে, ফর্ম ফিরে যায়, তাহলে কামব্যাক হতে পারে। আমি আশা করব, নেইমার ২০২৬ বিশ্বকাপ খেলবে।’
এর মধ্যেই স্পোর্ট রেসিফের বিরুদ্ধে স্যান্টোসের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ ছিল। অবনমন আতঙ্কে ভুগছে স্যান্টোস। এই ম্যাচে নেইমারের খেলা নিয়েও সংশয় ছিল। চোট নিয়ে ম্যাচ খেলায় চিকিৎসকরা আপত্তি করেছিলেন। সেই সব উড়িয়ে মাঠে নামলেন তিনি। ম্যাচের প্রথম গোলটিও করলেন। শেষ পর্যন্ত স্যান্টোস জিতল ৩–০ গোলে। অবনমন আতঙ্কও কাটিয়ে উঠল তারা।
ব্রাজিল দল বিশ্বকাপে নেইমারকে ছাড়া খেলতে গিয়ে সমস্যায় পড়েছে। তবে তাঁর চোট পাওয়ার প্রবণতা চিন্তায় রাখবে যে কোনও কোচকে। প্রথমত তাঁর চোট কাটিয়ে ফিট হওয়া, তারপর আন্তর্জাতিক মঞ্চে, সবচেয়ে বড় কথা বিশ্বকাপের মতো মঞ্চে তাঁর ফর্মে থাকা বা না থাকার উপর অনেকটা নির্ভর করবে। সে ক্ষেত্রে স্যান্টোসের হয়ে তাঁর গোল অনেকটাই সেক্ষেত্রে সাহায্য করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে যোগ্যতা অর্জন পর্বে না খেললেও ব্রাজিলের বিশ্বকাপে খেলার টিকিট জোগাড় করতে সমস্যা হয়নি। সে কারণেই এখনও আনসালত্তির পরিকল্পনায় তিনি নেই বলেই মনে করা হচ্ছে।