ইস্টবেঙ্গলে (East Bengal) অতীতে খেলে গিয়েছেন টুলুঙ্গা, লালরিন্ডিকা রালতে, জেজের মত ফুটবলারর। সেই স্মৃতি লাল হলুদ সমর্থকদের কাছে এখনও বড়ই সুখের। এখন সেই মিজোরাম থেকেই লাল-হলুদ জার্সিতে উজ্জ্বল ভানলালপেকা ওইতে এবং ডেভিড লালহানসাঙ্গা। অতীতের মিজোরামের তারকাদের সবাইকেই ছাপিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি দিমিতিয়স ডিমানটাকোসকে ছাপিয়ে যেতে চান তিনি।
কিংবদন্তিদের তালিকায় নিজেকে দেখতে চান গুইতে
তিনি চান ইস্টবেঙ্গলের মিজো কিংবদন্তিদের তালিকায় তাঁর নামটাও সামিল হোক। সেই স্বপ্ন নিয়েই এগোচ্ছেন তিনি। তাই রিজার্ভ দলে নয়, তাঁর নজর সিনিয়র দলের দিকে। শুক্রবারও কালীঘাট এমএসের বিরুদ্ধে একটি অসাধারণ গোল করেন। আর এই গোলের সঙ্গে তিনি এই বছরে আপাতত ইস্টবেঙ্গলের সর্বোচ্চ গোলদাতা। পাশাপাশি চারটি অ্যাসিস্টও রয়েছে তাঁর।
ডিমানটাকোসের সঙ্গে লড়াই চান গুইতে
গুইতে এবর লাল-হলুদ মাঝমাঠের আবিষ্কার। গোল করা এবং করানোর ক্ষেত্রেও সমান দক্ষ। মাঠে নামলে কোচের চিন্তা দূর হয়। প্রতিপক্ষের চিন্তা বাড়ে। ওইকের সঙ্গে গোল সংখ্যার লড়াইয়ে রয়েছেন সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তাঁর সঙ্গে কি সায়নের সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা রয়েছে? এই প্রশ্ন শুনেই গুইতে বলেন, 'আমার সঙ্গে কারের প্রতিযোগিতা নেই। আমি রিজার্ভ দলের কারের সঙ্গে প্রতিযোগিত করতে চাই না। আমায় যদি প্রতিযোগিতা করতেই হয় আমি দিমির সঙ্গে করব।'
পরিবর্ত হিসেবে নামা পছন্দ নয়
সদাহাস্য গুইতে ইচ্ছে প্রকাশ করেন ইস্টবেঙ্গল সিনিয়র দলে খেলার। গুইতের কথায়, 'আমি সিনিয়র দলে খেলতে চাই। আমাকে সেখানে যেতেই হবে। সেই লক্ষ্যই আমার বয়েছে।' কালীঘাট এমএসের বিরুদ্ধে ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল কোড বিনো জর্জ দ্বিতীয়ার্ধের একদম শুরুতে আমন সিকের জায়গায় গুইতেকে নামান। এই বিষয়টাও ভালো লাগেনি গুইতের। তিনি জানান, 'দলের স্বার্থে কোচ যা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ঠিক আছে। কিন্তু আমি প্রথম একাদশে থাকতে চাই। এরকমভাবে পরিবর্তিত খেলোয়াড় হিসেবে খেলতে চাই না। আমি একদম খুশি নই পরিবর্ত খেলোয়াড় হিসেবে খেলতে নেমে। আমি নিজেকে প্রথম একাদশেই দেখতে চাই। তার জন্য যা পরিশ্রম করার আমি করব।'
ইস্টবেঙ্গলের পরের লক্ষ্য সুপার সিক্স। সেখানেও নিজের সেরা পারফরম্যান্স দিতে চান গুইতে। এবং সেখান থেকেই সিনিয়র দলের জায়গা করে নিতে চান।