
ভারতীয় ডিফেন্স লাইন নিয়ে খেলতে গিয়ে বারবার সমস্যায় পড়ছে ইস্টবেঙ্গল। সঙ্গে সউল ক্রেসপোর চোটে মাঝমাঠে ভারসাম্য নষ্ট হয়েছে। ফলে প্রতিপক্ষের করা জোনাল মার্কিংয়ে বারবার আটকে যাচ্ছেন মিগুয়েল ফিগুয়েরা। আক্রমণ গড়ার পথও হয়ে উঠছে কঠিন। সেই কারণেই শেষ দুই ম্যাচে পাঁচ পয়েন্ট খোয়াতে হয়েছে লাল হলুদকে।
মাঝমাঠ মেরামতে জোর অস্কারের
তাই কেরল ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে ম্যাচ থেকেই দেনা জয়ের সরণিতে ফিরতে চাইছে কোচ অস্কার ব্রুজোর দল। তাই ছুটি কাটিয়ে অনুশীলন শুরুর দিনেই অস্কারকে আবার মাঝমাঠের খেলায় বিশেষ জোর দিতে দেখা গেল। মাঝমাঠে বারবার সমস্যা হওয়ায় গোল করার মতো বল বাড়াতে পারছেন না ফুটবলাররা।
ফিজিক্যাল ফুটবলে জোর দিচ্ছে লাল-হলুদ
পাসিং ফুটবলের পাশাপাশি ইস্টবেঙ্গল যে ফিজিক্যাল ফুটবলেও জোর দিচ্ছে, গোয়ার বিরুদ্ধেই তার ইঙ্গিত মিলেছিল। কেরল ম্যাচের আগে সেই এদিকেই আরও বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে লাল-হলুদ ব্রিগেড। ফিজিক্যাল ট্রেনিংয়ের পরে দলকে তিন ভাগে ভাগ করে পজেশন ডিল এবং এ টিম ও বি টিম সুইচ ড্রিল করানো হয়। মূল লক্ষ্য ছিল দ্রুত পাস খেলে বঙ্গ নিজেদের নিয়ন্তনে রাখা।
অনুশীলনে মহেশও
সল, মিগুয়েল ও রশিদকে একসঙ্গে রেখে প্রায় দু'ঘন্টা ধরে চলে অনুশীলন। এদিন মূল দলের সঙ্গে অনুশীলন করেন মহেশও। সূত্রের খবর, কেরলের বিরুদ্ধে ম্যাচে সলের প্রথম একাদশে ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে। মিগুয়েলকে কড়া মার্কিংয়ে আটকে দেওয়ায় মাঝমাঠ থেকে সুযোগ তৈরিতে সমস্যা হচ্ছে। সল ফিরলে মিগুয়েল ও রশিদ আরও স্বাধীনভাবে খেলতে পরবেন। অন্যদিকে এ দিনও সাইডলাইনে আলাদা করে রিহ্যাব করেন কেভিন সিবিল্লে। শেষে দুই প্রান্ত থেকে ভেসে আসল বল জালে জড়ানোর মহড়া দিয়েই শেষ হয় এ দিনের অনুশীলন।
জিততেই হবে ইস্টবেঙ্গলকে
তৃতীয় ম্যাচে হার ও চতুর্থ ম্যাচে ড্র করার পর ১৩ রাউন্ডের এই লিগে কিছুটা চাপে রয়েছে লাল-হলুদ। কেরল ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে ফের জয়ের সরণিতে ফিরতেই হবে তাদের। না হলে লিগ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যেতে পারে।