
এটিকে মোহনবাগান ছাড়ার পর থেকেই কোন দলে যোগ দিতে পারেন রয় কৃষ্ণা। এমনটাই শোনা যাচ্ছিল। সোমবার সেই খবরে শিলমোহর পড়ে গেল। সুনীল ছেত্রীর সঙ্গে জুটি গড়ে খেলতে দেখা যাবে রয় কৃষ্ণাকে। তবে এই সই হওয়ার আগে ফের নিজের পুরনো ক্লাব ওয়েলিংটন ফোনেক্সে ফের ফিরতে পারেন তিনি। এমনটাও শোনা গিয়েছিল। পাশাপাশি ইস্টবেঙ্গল, হায়দরাবাদ এফসি ও মুম্বই সিটি এফসি-র আইএসএল-এর দলগুলির প্রস্তাব ছিল তাঁর কাছে। এর মাঝে তাঁকে নেওয়ার চেষ্টা করতে থাকে এ লিগের ক্লাব ওয়েস্টার্ন সিডনি ওয়ান্ডার্সও। তবে সেই চেষ্টা সফল হয়নি। আইএসএল-এর ক্লাব বেঙ্গালুরুতেই সই করে ফেললেন ফিজির এই স্ট্রাইকার।
ফের একবার দেখা যাবে প্রবীর দাস-রয় কৃষ্ণা জুটি। এটিকে মোহনবাগানের হয়ে এই জুটি বিপক্ষের ত্রাস হয়ে উঠেছিলেন। আরও একবার জ্বলে উঠতে পারেন প্রবীর দাস, রয় কৃষ্ণা। ডানদিক থেকে উঠে এসে প্রবীরের ক্রস আর সেই বল মিট করে রয়ের গোল প্রায় নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে গিয়েছিল।
গত মরশুমে রয় কৃষ্ণার পারফরম্যান্স আহামরি কিছু ছিল না। তবে এই স্ট্রাইকারের গোল করার দক্ষতা সব সময়ই সকলকে মুগ্ধ করেছে। এটিকে মোহনবাগান দলে কোচ পরিবর্তন হয়েছে। ফলে স্ট্যাটেজিও বদলে গিয়েছে। আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের জায়গায় এসেছেন জুয়ান ফেরান্দো। হাবাস ডিফেন্স শক্ত করে আক্রমণে যেতেন। আর ফেরান্দো সবসময় আক্রমণ করতে পছন্দ করেন। নতুন কোচের স্ট্র্যাটেজিতে খাপ খাওয়াতে পারছিলেন না প্রবীর ও রয় কৃষ্ণ। তাই দল থেকে বাদ পড়েন।
অন্যদিকে বিদেশি স্ট্রাইকারের খোঁজ চালাচ্ছে এটিকে মোহনবাগান। আসলে ভাল মানের স্ট্রাইকার পেতে হলে আগেই তার জন্য ঝাঁপাতে হত এটিকে মোহনবাগানকে। তবে তা তাঁরা করেনি। এখন ভাল মানের স্ট্রাইকার পেতে হলে মোটা অঙ্কের ট্রান্সফার ফি দিয়ে তাদের আনতে হবে। নয়ত ভারতীয় স্ট্রাইকারদের উপরেই গোটা মরশুমে না হলেও অন্তত জানুয়ারির ট্রান্সফার উইন্ডো অবধি ভরসা করতে হবে।