
আমাদের দেশে খেলাধুলোর বাজার দিনে দিনে বাড়ছে। বিভিন্ন ধরনের খেলায় বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চেইজি লিগ চালু হওয়ায় বাজার আরও ভাল হয়েছে। ফলে খেলা সংক্রান্ত নানা পেশায় প্রচুর মানুষ কাজ করা শুরু করেছেন। চাকরি বা কাজের সুযোগ দিন দিন বাড়ছে। সে রকমই পেশা হিসেবে বেছে নিতে পারেন ধারাভাষ্য বা কমেন্ট্রিকে।
যে কোনও খেলার ক্ষেত্রেই ধারাভাষ্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, খেলার আকর্ষণ বাড়াতে তাদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। তা ছাড়া এখন বিভিন্ন ভাষায় কমেন্ট্রি করার সুযোগ রয়েছে। ফলে সুযোগ থাকে নিজের মাতৃভাষায় কাজ করার।
ধারাভাষ্যকার হতে কী কী যোগ্যতার প্রয়োজন হয়?
ধারাভাষ্যকারের নিজস্ব বাচন, শব্দচয়ন, ক্রীড়াবোধ ও বিশ্লেষণী ক্ষমতা তাঁকে করে তোলে দক্ষ। একটি সাক্ষাৎকারে ধারাভাষ্যকার হর্ষ ভোগলে জানিয়েছিলেন, শুধু জ্ঞান যথেষ্ট নয়, খেলার প্রতি আগ্রহ ও ভালবাসা থাকাও সমান ভাবে জরুরি। তার সঙ্গে এই কাজের সঙ্গে যুক্ত সকলের প্রতি শ্রদ্ধাও থাকতে হবে। এ ক্ষেত্রে আগ্রহীদের স্থানীয় স্তরে প্রতিযোগিতায় ধারাভাষ্যকার হিসাবে কাজ করা শুরু করতে হবে। এর পর ধাপে ধাপে অডিশন দিয়ে রাজ্য এবং জাতীয় স্তরের প্রতিযোগিতায় কাজ পাওয়ার সুযোগ মিলবে।
কত টাকা রোজগার হতে পারে?
এক ইন্টারভিউতে আকাশ চোপড়া জানিয়েছেন, ভারতে ক্রিকেট ধারাভাষ্যকাররা একদিনে ৬ লাখ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত উপার্জন করতে পারেন। একটি পরিসংখ্যান দিয়ে তিনি বলেন, সাধারণত একজন ধারাভাষ্যকার ১০০ দিন কমেন্ট্রি করে থাকেন। সেই হিসেব করলে, একজন কমেন্টেটর বছরে ৬ কোটি থেকে ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত উপার্জন করতে পারেন। কিন্তু, আকাশ চোপড়া নিজে কত টাকা রোজগার করেন, সেই ব্যাপারটা খোলসা করেননি।
পড়ার সুযোগ আছে?
ক্রীড়া সাংবাদিকতা, ব্রডকাস্টিং অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ়, স্পোর্টস অ্যানালিটিক্স নিয়ে পড়াশোনার পর এই পেশায় সুযোগ পাওয়া যেতে পারে। উল্লিখিত বিষয়ের মাধ্যমে পড়ুয়ারা কী ভাবে ধারাভাষ্য দেবেন তা শিখে নিতে পারবেন।