Advertisement

ICC T20 World Cup 2026: নকভির উস্কানিতেই বিশ্বকাপ বয়কট? বিস্ফোরক দাবি BCB কর্তার

টি২০ বিশ্বকাপ (ICC T20 World Cup 2026) বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়ে বাংলাদেশ যে পস্তাচ্ছে তা আরও একবার স্পষ্ট হয়ে উঠল। জানা যাচ্ছে, পাকিস্তানের উস্কানিতেই সরে এসেছিল বাংলাদেশ এমনটাই জানিয়ে দিলেন বিসিবির প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল হক। বাংলাদেশকে উস্কানি দিলেও, পাকিস্তান  দিনশেষে পাকিস্তান বিশ্বকাপ খেলছে। শুধু তাই নয়, বয়কট হুমকি দিয়েও ভারতের বিপক্ষে ম্যাচও তারা খেলেছে।

বাংলাদেশ দল ও মহসীন নাকভিবাংলাদেশ দল ও মহসীন নাকভি
Aajtak Bangla
  • ঢাকা,
  • 20 Feb 2026,
  • अपडेटेड 2:30 PM IST

টি২০ বিশ্বকাপ (ICC T20 World Cup 2026) বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়ে বাংলাদেশ যে পস্তাচ্ছে তা আরও একবার স্পষ্ট হয়ে উঠল। জানা যাচ্ছে, পাকিস্তানের উস্কানিতেই সরে এসেছিল বাংলাদেশ এমনটাই জানিয়ে দিলেন বিসিবির প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল হক। বাংলাদেশকে উস্কানি দিলেও, পাকিস্তান  দিনশেষে পাকিস্তান বিশ্বকাপ খেলছে। শুধু তাই নয়, বয়কট হুমকি দিয়েও ভারতের বিপক্ষে ম্যাচও তারা খেলেছে। 

রেভস্পোর্টসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আশরাফুল হক বলেন, ‘একজন ক্রিকেট প্রশাসক হিসেবে আমি সততা ও অঙ্গীকারকে গুরুত্ব দিই। বর্তমান বোর্ড চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম সম্ভবত অভিজ্ঞতার অভাবে কারও দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন। বর্তমান এসিসি সভাপতি মহসিন নকভি তাকে এত বড় সিদ্ধান্ত নিতে রাজি করান। শেষ পর্যন্ত লাভ কার হলো?’

নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে বাংলাদেশ দল বিশ্বকাপ খেলতে আসেনি। নিজের দেশের বোর্ডের এই সিদ্ধান্তকে 'অকালপক্ক' বলে মনে করেন আশরাফুল হক। তিনি বলেন, ‘শুরু থেকেই আমি আমার অবস্থান পরিষ্কার করেছিলাম। বিশেষ করে তৎকালীন ক্রীড়া উপদেষ্টার নেওয়া সিদ্ধান্তটি অকালপক্ব ছিল। শুধু মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএলে খেলতে না দেওয়ার কারণে এত বড় সিদ্ধান্তের কোনো যৌক্তিকতা ছিল না।’

ভারত যদি বাংলাদেশ সফরে না আসে, তবে দেশের ক্রিকেট বড় ধাক্কা খেতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি, ‘অবশ্যই। ভারত যদি সফরে না আসে, তাহলে বাংলাদেশের ক্রিকেট পাঁচ থেকে দশ বছর বা তারও বেশি পিছিয়ে যেতে পারে। বর্তমান সরকারের দায়িত্ব এই সফর নিশ্চিত করা। সম্পর্ক বজায় রাখার গুরুত্ব তাদের বুঝতে হবে। ভারতীয় গণমাধ্যম ঐতিহাসিকভাবে আমাদের সমর্থন করেছে, আশা করি আবারও করবে।’

বিশ্বকাপ থেকে বাইরে থাকলে বাংলাদেশ প্রায় ২ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার সমপরিমাণ আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের রাজস্ব, সম্প্রচার চুক্তি ও স্পন্সরশিপ থেকে বড় অংশ হারানোর সম্ভাবনা রয়েছে, যা দেশের ক্রিকেট অবকাঠামো ও উন্নয়ন কর্মসূচিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

Advertisement

Read more!
Advertisement
Advertisement