
৩৩ বলে সেঞ্চুরি করে দলকে ফাইনালে নিয়ে গিয়েছেন, এখন খেতাব জয়ের শেষ ম্যাচে সামনে কোন দল তা নিয়ে ভাবতেই চাইছেন না ফিন অ্যালেন। বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে একাই উড়িয়ে দিয়েছেন। সামনে পড়তে পারে ভারতের মতো কঠিন প্রতিপক্ষ তবুও পরোয়াই করছেন না কিউয়ি তারকা। বরং ভারতকে হারাতে প্রায় মরিয়া তিনি।
ম্যাচ শেষে সাংবাদিক বৈঠকে অ্যালেন বলছিলেন, 'ফাইনালে যে কোনও প্রতিপক্ষই সমান। ভাল খেলেই জিততে হয়। ফাইনালের চাপ অন্য রকম। ভারত উঠুক, কি ইংল্যান্ড। কোনও কিছুতেই সমস্যা নেই। ভাল একটি ম্যাচের আশায় রয়েছি।’ আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে খেলবেন। মরসুম শুরু হওয়ার আগেই ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে শতরান। কী রকম অনুভূতি? সাংবাদিক বৈঠকে এসে অ্যালেন বলছিলেন, ‘‘এই পিচে আরও ম্যাচ খেলব। মরসুম শুরু হওয়ার আগে আন্দাজ পেয়ে গেলাম উইকেট কী রকম হতে পারে।’’
দক্ষিণ আফ্রিকার কোচ শুকরি কনরাডকে প্রশ্ন করা হয়, ‘নকআউট পর্বে আরও এক বার আপনার দল ‘চোক’ করল?’ দক্ষিণ আফ্রিকা কোচের উত্তর, ‘আমরা চোক করিনি, ধসে গিয়েছি। আফ্রিকান ভাষায় বলা হয় ‘স্নটক্লাপ’। অর্থাৎ কষিয়ে থাপ্পড়। আমাদের অবস্থা আজ সে রকমই ছিল।’ প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। মার্কো জ্যানসনের দারুণ ইনিংসে ভর করে কিছুটা ভদ্রস্থ জায়গায় পৌছায় তারা। ১৭৪ রানের টার্গেট ইডেনে ডিফেন্ড করতে হলে দারুণ বোলিং করার প্রয়োজন হয়। সেটাও করতে পারেনি দক্ষিণ আফ্রিকা।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে দুই ওপেনার ফিন অ্যালেন ও টিম শেইফার্টই প্রায় ম্যাচ বের করে নিয়ে যাচ্ছিলেন। ১১৭ রানের জুটি গড়ার পরে আউট হন শেইফার্ট। তবে তাতেও সমস্যা হয়নি রাচিন রবীন্দ্রকে সঙ্গে নিয়ে বাকি রান করে ফেলেন ফিন অ্যালেন। তাঁর ইনিংসে ছিল ১০টা চার ও ৮টা বিশাল ছক্কা। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের দিশেহারা করা ব্যাটার এখন ফাইনালে প্রতিপক্ষের অপেক্ষায়।