Advertisement

Bangladesh Boycotts T-20 World Cup: বাংলাদেশের 'অসভ্যতা' চলছে, T20 বিশ্বকাপ থেকে পাকিস্তানও 'OUT'? যা জানা যাচ্ছে...

বাংলাদেশের তালে তাল মিলিয়ে ক্রিকেটার ময়দানে ভারত বিদ্বেষ মনোভাব ঢোকাচ্ছে পাকিস্তানও। বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে তারাও নাকি ভারতে খেলতে আসতে চায় না। এমনকী, বাংলাদেশ এবং পাকিস্তান একজোটে টি-২০ বয়কট করলে নাকি বিশ্বকাপ শেষ হয়ে যাবে, এমনটাই মত প্রাক্তন পাক ক্রিকেটারের।

বাংলাদেশের পর টি-২০ বিশ্বকাপ বয়কট করবে পাকিস্তানও? বাংলাদেশের পর টি-২০ বিশ্বকাপ বয়কট করবে পাকিস্তানও?
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 23 Jan 2026,
  • अपडेटेड 10:29 AM IST
  • পাকিস্তান পূর্ণ সমর্থন জানাচ্ছে বাংলাদেশের অবস্থানকে
  • তাদের টি-২০ বয়কট করা উচিত
  • মনে করছেন প্রাক্তন পাক ক্রিকেটোর

ভারতের প্রতি কৃতজ্ঞতা ভুলে টি-২০ বিশ্বকাপ বয়কটের ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ। আর সেই ভারত বিদ্বেষকে কাজে লাগাতে উদ্যত পাকিস্তানও। বাংলাদেশের জন্য 'মন কাঁদছে...', তাই এ দেশে খেলতে আসতে চায় না তারাও? 

টুর্নামেন্ট বয়কট করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক রশিদ লতিফ। এর আগে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ভুয়ো খবর ছড়িয়ে দাবি করেছিল, বাংলাদেশ যদি বিশ্বকাপে না খেলে, তাহলে পাকিস্তানও বিশ্বকাপ বয়কট করবে। এর জন্য পাক দল প্রস্তুতিও স্থগিত রেখেছে। তবে পরে জানা যায়, এমন কিছুই হয়নি। যদিও ভেন্যু বদল নিয়ে বাংলাদেশের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ICC-তে ভোটাভুটির সময়ে একমাত্র পাকিস্তানই বাংলাদেশের পক্ষে ভোট দিয়েছিল। অর্থাৎ ভার বিরোধিতায় প্রকাশ্যে যেন জোট গড়ে ফেলেছিল এই দুই দেশ। 

রাজনীতিকে ক্রিকেটের ময়দানে নিয়ে আসতে উদ্যত হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ। ইন্ধন জোগাচ্ছে পাকিস্তানও। বয়কট বিতর্ক নিয়ে এমনটাই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। 

রশিদ লতিফ বলেন, 'পাকিস্তানের এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা উচিত। পাকিস্তান যদি এখন বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে বিশ্বকাপ বয়কট করে, তবে এই বিশ্বকাপ বড় বিপদে পড়বে। আমি এটা আগেও বলেছি, বাংলাদেশ যখন একবার কোনও কিছু করার সিদ্ধান্ত নেয়, তখন তারা সেটা করেই ছাড়ে। তারা প্রমাণ করে দিয়েছে বাংলাদেশের জন্য ভারত নিরাপদ নয়। ICC, BCCI বা BJP যা-ই বলুক না কেন, এবার পাকিস্তানের কিছু একটা করার সময় এসেছে। এর চেয়ে ভাল সুযোগ আর আসবে না। পাকিস্তান যদি এখন না খেলে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে বিশ্বকাপ বয়কট করে তবে এই বিশ্বকাপ শেষ!'

টেলিকম এশিয়া স্পোর্টস-এর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, টি-২০ বিশ্বকাপ নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থানকে সমর্থন জানিয়েছে পাক ক্রিকেট বোর্ড (PCB)। তারা বিকল্প নিয়ে ভাবছে। কিন্তু এই টুর্নামেন্ট বয়কট করা মতো কোনও কারণ নেই তাদের কাছে। জানানো হয়েছে, PCB অফিশিয়ালি বিশ্বকাপ বয়কটের কোনও হুমকি দেয়নি। 

অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ও বোর্ডের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। তারপর নিজেদের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন তিনি। প্রথম আলো-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে ICC-কে অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ। বৈঠকের পর সাংবাদিকদের আসিফ নজরুল বলেন, 'আমরা সকলেই চেয়েছি, যাতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে পারি। কারণ, এই সুযোগ আমরা কষ্ট করে অর্জন করেছি। কিন্তু ভারতে খেলার ক্ষেত্রে আমাদের যে নিরাপত্তার ঝুঁকি রয়েছে, সেই পরিস্থিতির কোনও পরিবর্তন ঘটেনি। নিরাপত্তার যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে তা হাওয়ায় বিশ্লেষণ করা বলা হয়নি। এটা সত্যিকারের ঘটনা থেকে হয়েছে। আমাদের একজন ক্রিকেটারকে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বের করে দিতে বলেছে। বিশ্বকাপ তো সেখানেই হচ্ছে। ফলে ICC  যতই বলুক, যে দেশে আমাদের একজন ক্রিকেটার নিরাপত্তা পায়নি, সে দেশেই তো বিশ্বকাপের আসর বসছে। সেই দেশের পুলিশেরই তো দায়িত্ব থাকবে বিশ্বকাপে নিরাপত্তা দেওয়ার। । ভারতে এমন কী বদল হয়েছে যাতে আমাদের মনে হবে যে, বিশ্বকাপে আমাদের দলের ক্রিকেটার, গণমাধ্যমের কর্মী ও সমর্থকদের নিরাপত্তা দিতে পারবে। ভারত সরকারের পক্ষ থেকেও আমাদের কিছু বলা হয়নি। তাই আমাদের সিদ্ধান্ত বদলের কোনও জায়গা নেই।'

Advertisement

এরপরই ICC-র কোর্টে বল ঠেলে দিয়ে তিনি বলেন, 'ICC আমাদের প্রতি সুবিচার করেনি। আশা করি তারা আমাদের প্রতি সুবিচার করে শ্রীলঙ্কায় বিশ্বকাপ খেলার অনুমতি দেবে। অতীতেও তো অনেকবার নিরাপত্তার কারণে অন্যত্র খএলা হয়েছে।'

প্রসঙ্গত, আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি ভারত ও শ্রীলঙ্কায় শুরু হতে চলেছে ICC টি-২০ বিশ্বকাপ। ৮ মার্চ টুর্নামেন্টের ফাইনাল। গ্রুপ সি-তে ছিল বাংলাদেশ। তাদের গ্রুপের ৩টি ম্যাচ পড়েছিল কলকাতায়। একটি মুম্বইতে। বিশ্বকাপ শুরুর দিনই কলকাতায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে মাঠে নামার কথা ছিল বাংলাদেশের। এরপর ৯ ফেব্রুয়ারি ইতালির বিপক্ষে এবং ১৪ ফেব্রুয়ারি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ইডেনেই ম্যাচ খেলার কথা ছিল বাংলাদেশের। এখন বাংলাদেশের বিরুদ্ধে গ্রুপ সি-তে স্থান পেতে পারে স্কটল্যান্ড। তবে পাকিস্তান রাজনৈতিক বিদ্বেষকে হাতিয়ার করে BCCI এবং ICC-কে শিকন্ডি করে কী পদক্ষেপ করে সেটাই এখন দেখার। কারণ এতে আখেরে আর্থিক ক্ষতি তাদেরই। 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement