Advertisement

Bihar Women Allowance Hike 2026: এবার বিহারের মহিলারা পাবেন ২ লক্ষ টাকা, বড় ঘোষণা করল নীতীশ সরকারের

Bihar Women Allowance Hike 2026: এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হল বিহারের মহিলাদের স্বনির্ভর করে তোলা এবং তাঁদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো। এতদিন যেখানে প্রকল্পের আওতায় মাত্র ১০,০০০ টাকা সহায়তা দেওয়া হত, সেখানে এবার সেই অঙ্ক ২০ গুণ বাড়িয়ে ২ লক্ষ টাকা করায় রাজ্যের মহিলা মহলে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

Aajtak Bangla
  • পটনা,
  • 29 Jan 2026,
  • अपडेटेड 7:14 PM IST

Bihar Women Allowance Hike 2026: বিহারে মহিলাদের কর্মসংস্থান প্রকল্পে বড়সড় আর্থিক স্বস্তি দিল নীতীশ কুমারের সরকার। মুখ্যমন্ত্রী মহিলা কর্মসংস্থান প্রকল্পে (Chief Minister Women’s Employment Scheme) এককালীন ভাতা বাড়িয়ে ১০ হাজার টাকা থেকে সরাসরি ২ লক্ষ টাকা করা হয়েছে। বুধবার এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে খবর প্রকাশ করেছে সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম India Today। তবে এখনও বিস্তারিত নির্দেশিকা প্রকাশ হয়নি। ফলে বিষয়টি আপাতত ‘ডেভেলপিং স্টোরি’ হিসেবেই চিহ্নিত করা হয়েছে।

২৯ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে সন্ধ্যা ৫টা ৩২ মিনিটে (IST) এই খবর আপডেট করা হয়। প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেন সাংবাদিক প্রতীক চক্রবর্তী। বর্তমানে সরকারের তরফে শুধু ভাতা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। কারা এই প্রকল্পের আওতায় আসবেন, কীভাবে আবেদন করতে হবে, কবে থেকে নতুন ভাতা কার্যকর হবে। এই সব বিষয়ে এখনও কোনও স্পষ্ট তথ্য সামনে আসেনি।

এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হল বিহারের মহিলাদের স্বনির্ভর করে তোলা এবং তাঁদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো। এতদিন যেখানে প্রকল্পের আওতায় মাত্র ১০,০০০ টাকা সহায়তা দেওয়া হত, সেখানে এবার সেই অঙ্ক ২০ গুণ বাড়িয়ে ২ লক্ষ টাকা করায় রাজ্যের মহিলা মহলে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে গ্রামীণ ও পিছিয়ে পড়া এলাকার মহিলাদের জন্য এই সিদ্ধান্ত বড় পরিবর্তন আনতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

আরও পড়ুন

ছয় মাস অন্তর কাজের মূল্যায়ন ব্যবস্থা
প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী, কোনও উপভোক্তা নিজের উদ্যোগ শুরু করার ছয় মাস পরে তাঁর কাজের অগ্রগতি মূল্যায়ন করা হবে। সেই মূল্যায়নের ভিত্তিতে প্রয়োজনে অতিরিক্ত সর্বোচ্চ ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, “ছয় মাস পর কাজ কতটা এগিয়েছে, তা খতিয়ে দেখে সেই অনুযায়ী আরও সহায়তা দেওয়ার ব্যবস্থাই এই প্রকল্পে রাখা হয়েছে।”

বিপণন ও সরকারি সংযোগে জোর
শুধু আর্থিক সহায়তা নয়, উপভোক্তাদের তৈরি পণ্যের বাজারজাতকরণেও জোর দিচ্ছে রাজ্য সরকার। সংশ্লিষ্ট দফতরগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের বিভিন্ন সরকারি কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের কথায়, “উপভোক্তাদের ইউনিফর্ম তৈরির কাজ, সুদা বিক্রয় কেন্দ্র এবং ‘দিদি কি রসোই’-এর মতো সরকারি প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

Advertisement

পরিযান রোধ ও স্থানীয় কর্মসংস্থান সৃষ্টি
এই প্রকল্পের আওতায় আর্থিক সহায়তা বৃদ্ধি পেলে রাজ্যের মহিলাদের অর্থনৈতিক ভিত আরও মজবুত হবে এবং রাজ্যের মধ্যেই নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে বলে আশাবাদী সরকার।
নীতীশ কুমার বলেন, “স্থানীয় স্তরে কাজের সুযোগ বাড়লে মানুষের আর কাজের খোঁজে বিহারের বাইরে যেতে হবে না।”

সরকারের ধারণা, এই প্রকল্পে আর্থিক সহায়তা বাড়ানোর ফলে মহিলা উদ্যোক্তাদের উৎসাহ মিলবে এবং গোটা বিহার জুড়ে স্থানীয় জীবিকা ও অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।

১.৫৬ কোটি মহিলার অ্যাকাউন্টে ১০ হাজার টাকা পাঠানো
মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হল স্বনির্ভর কর্মসংস্থানের জন্য আর্থিক সহায়তা দেওয়া, যাতে প্রতিটি পরিবার থেকে অন্তত একজন মহিলা নিজেকে উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন। সেই লক্ষ্যেই ইতিমধ্যেই ১.৫৬ কোটি মহিলার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ১০ হাজার টাকা করে সরাসরি পাঠানো হয়েছে।

কাজের অগ্রগতির সঙ্গে যুক্ত আর্থিক সহায়তা
এই প্রকল্পে প্রথম কিস্তি হিসেবে যেসব মহিলা ১০ হাজার টাকা পেয়েছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে ছয় মাস পরে কাজের অগ্রগতি মূল্যায়ন করা হবে। সেই মূল্যায়নের ভিত্তিতে, যদি দেখা যায় টাকা যথাযথভাবে কর্মসংস্থান শুরু করতে ব্যবহার করা হয়েছে, তাহলে তাঁদের অতিরিক্ত আর্থিক সহায়তার জন্য যোগ্য হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement