Advertisement

Factory made homes: ফোল্ডিং ফোনের মতো ফোল্ডিং বাড়ি, তৈরি হবে ৪ ঘণ্টাতেই, দাম কত?

ভাঁজযোগ্য ফোনের পর এবার ভাঁজযোগ্য বাড়ি, যা মাত্র ৪ ঘণ্টার মধ্যেই তৈরি! অবাক লাগলেও এটাই বাস্তব। এই অভিনব ধারণা নিয়ে শার্ক ট্যাঙ্ক ইন্ডিয়ার নতুন সিজনে হাজির হয়েছিল স্টার্টআপ আপিয়ার বিল্ড। সংস্থাটি সম্প্রতি পেয়েছে ২ কোটি টাকার বিনিয়োগ।

Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 27 Jan 2026,
  • अपडेटेड 3:27 PM IST
  • ভাঁজযোগ্য ফোনের পর এবার ভাঁজযোগ্য বাড়ি, যা মাত্র ৪ ঘণ্টার মধ্যেই তৈরি! অবাক লাগলেও এটাই বাস্তব।
  • এই অভিনব ধারণা নিয়ে শার্ক ট্যাঙ্ক ইন্ডিয়ার নতুন সিজনে হাজির হয়েছিল স্টার্টআপ আপিয়ার বিল্ড।

ভাঁজযোগ্য ফোনের পর এবার ভাঁজযোগ্য বাড়ি, যা মাত্র ৪ ঘণ্টার মধ্যেই তৈরি! অবাক লাগলেও এটাই বাস্তব। এই অভিনব ধারণা নিয়ে শার্ক ট্যাঙ্ক ইন্ডিয়ার নতুন সিজনে হাজির হয়েছিল স্টার্টআপ আপিয়ার বিল্ড। সংস্থাটি সম্প্রতি পেয়েছে ২ কোটি টাকার বিনিয়োগ।

ভারতে একটি বাড়ি তৈরি করা এখনও সময়সাপেক্ষ ও জটিল প্রক্রিয়া। নকশা অনুমোদন, নির্মাণসামগ্রী, শ্রমিকের প্রাপ্যতা থেকে শুরু করে আবহাওয়া, সবকিছুই কাজের গতি প্রভাবিত করে। এই সমস্যার সমাধান হিসেবেই আপিয়ার বিল্ড এনেছে একেবারে ভিন্নধর্মী পথ, মডুলার কনস্ট্রাকশন।

কী এই মডুলার বাড়ি?
এই পদ্ধতিতে বাড়ির প্রতিটি অংশ, দেয়াল, মেঝে, ছাদ, বৈদ্যুতিক তার, পাইপলাইন, সবই আগে কারখানায় তৈরি করা হয়। পরে সেগুলি ট্রাকে করে নির্মাণস্থলে এনে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই জোড়া লাগিয়ে সম্পূর্ণ বাড়ি তৈরি করা হয়। সংস্থার দাবি, একটি স্ট্যান্ডার্ড ইউনিট মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বসবাসের উপযোগী করে তোলা সম্ভব।

ভাঁজযোগ্য ঘরের চমক
এই বাড়ির সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হল, এটি সম্পূর্ণ ভাঁজ করে প্যাক করা যায়। তারপর সহজেই ট্রাকে করে নির্দিষ্ট জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়। প্রশিক্ষিত কর্মীরা কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বাড়িটি স্থাপন করে দেন। ভবিষ্যতে বহুতল ভাঁজযোগ্য বাড়ি তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে সংস্থার।

স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন
আপিয়ার বিল্ডের দাবি, এই বাড়িগুলি ৩০-৪০ বছর পর্যন্ত টেকসই। যদিও শার্করা প্রশ্ন তুলেছেন, কারণ প্রচলিত পদ্ধতিতে তৈরি বাড়ির আয়ুষ্কাল সাধারণত ৭০-৮০ বছর হয়ে থাকে। তবে সংস্থার মতে, সঠিক রক্ষণাবেক্ষণে এই মডুলার বাড়ির ব্যবহারকাল আরও বাড়ানো সম্ভব।

ভারতে ব্যবহার শুরু
যদিও এই প্রযুক্তি ইউরোপ ও আমেরিকায় আগে থেকেই জনপ্রিয়, ভারতে এটি এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে। আপিয়ার বিল্ড ইতিমধ্যেই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র ও ছোট সরকারি ভবন তৈরিতে এই মডুলার ইউনিট সরবরাহ করেছে। এর মাধ্যমে সংস্থা প্রাথমিক রাজস্ব অর্জনের পাশাপাশি বাস্তব ক্ষেত্রেও প্রযুক্তির কার্যকারিতা প্রমাণ করছে।

শার্কদের ফোকাস: প্রযুক্তি নয়, স্কেল
শার্ক ট্যাঙ্কে আলোচনার সময় শার্করা প্রযুক্তির চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন ব্যবসায়িক স্কেল ও বাজার গ্রহণযোগ্যতার ওপর। প্রশ্ন উঠেছে, এই মডেল কি বৃহৎ পরিসরে আবাসিক প্রকল্পে কার্যকর হবে? আর ভারতীয় গ্রাহকরা কি কারখানায় তৈরি বাড়ির উপর আস্থা রাখবেন?

Advertisement

২ কোটি টাকার বিনিয়োগ
শেষ পর্যন্ত কুনাল বাহল আপিয়ার বিল্ডে ২ কোটি বিনিয়োগ করেন, যার বিনিময়ে তিনি ২.৫% ইক্যুইটি পান। অনুপম মিত্তলও আগ্রহ দেখালেও চূড়ান্তভাবে কুনালের প্রস্তাবই গ্রহণ করে স্টার্টআপটি। তবে শর্ত রাখা হয়েছে, আগামী দিনে বড় অর্ডার এবং উন্নত লাভের হার প্রমাণ করতে হবে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement