
বিশ্বে জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়াগুলির মধ্যে WhatsApp অন্যতম। শুধুমাত্র ভারতেই প্রায় ৮৫ কোটি WhatsApp ব্যবহারকারী রয়েছেন। আর এই বিপুল সংখ্যক মানুষকেই এবার টার্গেট বানাচ্ছে সাইবার প্রতারকেরা। এবার সাইবার বিশেষজ্ঞদের নজরে এসেছে WhatsApp অ্যাকাউন্ট ভাড়া দিয়ে টাকা আয় করার পদ্ধতির বিষয়ে।
বিশেষজ্ঞরা ২০২৬ সালে WhatsApp Mule অ্যাকাউন্টের বিষয়ে আমজনতাকে সতর্ক করছেন। শুধুমাত্র ভারত নয়, গোটা বিশ্বেই এই ধরনের সমস্যায় পড়ছেন বহু মানুষ। সম্প্রতি বিষয়টি নিয়ে দেশবাসীকে সতর্ক করেছে কেন্দ্রীয় সরকারের 'সাইবার দোস্ত'।
আসলে আজকাল WhatsApp থেকে টাকা আয় করার নানা পদ্ধতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হচ্ছে। মূলত প্রতারকেরা, বিজ্ঞাপন দিয়ে তরুণ প্রজন্মকে আকৃষ্ট করার কাজ করছে। সেই বিজ্ঞাপনে ক্লিক করে টোপ গিলছে তরুণ প্রজন্ম। স্বয়ংক্রিয়ভাবে হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টে ‘রি-ডিরেক্ট’ হয়ে যাচ্ছে সংশ্লিষ্ট পেজ। গ্রাহকের সেই অ্যাকাউন্টে লগ-ইনের জন্য চাওয়া হচ্ছে আইডি বা কিউ-আর কোড। এরপরেই সেই অ্যাকাউন্টের কন্ট্রোল প্রতারকদের হাতে। মাসের শেষে হোয়াটসঅ্যাপ পেমেন্টের মাধ্যমে গ্রাহকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে আসছে টাকাও। কিন্তু মূল মালিকের অজান্তেই WhatsApp ব্যবহার হচ্ছে নানা অসামাজিক কাজে।
অ্যাকাউন্ট ভাড়া নিয়ে প্রতারকেরা কী করে?
একবার কেউ এই ফাঁদে পা দিলে, তার হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টটি হাইজ্যাক হয়ে যায়। এরপর এই অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে অন্য ব্যক্তিদের ফ্রড লোন, ভুয়ো লিঙ্ক ও পাঠানো হয়। এই সমস্ত কিছুর জন্য আসলে দায়ী থাকে WhatsApp অ্যাকাউন্টটির মূল মালিক। কিন্তু তিনি বিষয়টি সম্পর্কে বিন্দুবিসর্গও জানেন না।
পুলিশ কী বলছে?
হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট ভাড়া দিলে আইনি তদন্তের মুখোমুখি হওয়ার চান্স রয়েছে। এছাড়াও, হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টটি ব্যান হতে পারে। এর বাইরেও স্ক্যামাররা মূল মালিকের ব্যক্তিগত চ্যাট, ফোন নম্বর, পরিচিতদের ফোন নম্বর, ছবি ও ভিডিও-র অ্যাক্সেস পেতে পারে।