Advertisement

Yezdi Roadster Special Edition: Royal Enfield-কে টক্কর দিতে বাজারে নয়া বাইক, বাম্পার ফিচার, দাম কত?

Royal Enfield-এর নতুন প্রতিদ্বন্দ্বী। সেরা বাইক আনল ক্লাসিক লেজেন্ড। তাদের নতুন বাইক Yezdi Roadster। ভারতে সংস্থার পক্ষ থেকে রেড উলফ কালার ভ্যারিয়েন্ট লঞ্চ করা হয়েছে। এই লুকটি দেখেই দিওয়ানা যুব সমাজের একাংশ। 

রোডস্টার স্পেশাল এডিশনরোডস্টার স্পেশাল এডিশন
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 04 Mar 2026,
  • अपडेटेड 1:37 PM IST
  • Royal Enfield-এর নতুন প্রতিদ্বন্দ্বী
  • সেরা বাইক আনল ক্লাসিক লেজেন্ড
  • তাদের নতুন বাইক Yezdi Roadster

Royal Enfield-এর নতুন প্রতিদ্বন্দ্বী। সেরা বাইক আনল ক্লাসিক লেজেন্ড। তাদের নতুন বাইক Yezdi Roadster। ভারতে সংস্থার পক্ষ থেকে রেড উলফ কালার ভ্যারিয়েন্ট লঞ্চ করা হয়েছে। এই লুকটি দেখেই দিওয়ানা যুব সমাজের একাংশ। 

যতদূর খবর, রোডস্টার ভ্যারিয়েন্টের এই নতুন বাইকটিতে একাধিক কমসেটিক চেঞ্জ করা হয়েছে। কোনও বড় মেকানিক্যাল চেঞ্জ করা হয়নি।

আসলে ইয়েজদি রোডস্টার একটি স্পেশাল এডিশন। এর রংটিই সেরা আকর্ষণ। এতে ক্রোমের কাজও রয়েছে। যার ফলে বাইকটিকে দেখতে অনেকটা মাস্কুলার লাগে। তাই আর সময় নষ্ট না করে এই বাইকটির দাম এবং ফিচার সম্পর্কে জেনে নিন। 

দাম কত? 
ইতিমধ্যেই এই বাইকের দাম সামনে এসেছে। এটির এক্স শোরুম দাম ২.১০ লক্ষ টাকা। এক্ষেত্রে স্ট্যান্ডার্ড মডেলের থেকে দাম মোটামুটি ১৮০০০ টাকা বেশি। এই বাইকের স্ট্যান্ডার্ড মডেলের দিল্লিতে দাম ১.৯২ টাকা। 

তবে মাথায় রাখবেন, এগুলি সবই এক্স শোরুম দাম। এরপর রোড ট্যাক্স এবং ইনস্যুরেন্সের খরচ রয়েছে। পাশাপাশি আরও কিছু খরচের কথা ভুললেও চলবে না। সেই সব মিলিয়ে গাড়িটির দাম অনেকটাই বেশি হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এই বাইকের স্পেশাল কী? 
এই বাইকে কোনও মেকানিক্যাল চেঞ্জ হয়নি। অর্থাৎ কোনও যন্ত্রাংশ, ইঞ্জিনে আসেনি পরিবর্তন। আপনি শুধু রঙেই বদল দেখতে পারবেন। গাঢ় লাল রঙের এই বাইকে রয়েছে ক্রোম ফিনিশ।

এর সিটটা ব্রাউন রঙের। আর সিটের এই রংই গাড়িটাকে স্পেশাল লুক দেয়। যদিও সংস্থার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে বাইকের পিছনের চাকা কিছুটা মোটা হয়েছে। পাশাপাশি নতুন গ্রাফিক্সও মিলছে তেলের ট্যাঙ্কে। 

এই বাইকে রয়েছে ৩৩৪সিসি-এর আলফা২ লিকুইড কুলড ইঞ্জিন। এটির ৬ স্পিড গিয়ারবক্স রয়েছে। পাশাপাশি এতে মিলবে স্পিপার ক্লাচ। 

ইয়েজদি রোডস্টার রেড উলফ এডিশনে রয়েছে ফ্রন্ট এবং রেয়ার ডিস্ক ব্রেক। এটির ওজন মোটামুটি ১৮৪ কেজি। এতে রয়েছে ডুয়াল চ্যানেল এবিএস। এছাড়া এই বাইকের LED টেইললাইট রয়েছে। যদিও এতে USB চার্জিং পোর্ট নেই। এটাই এর মাইনাস পয়েন্ট।

Advertisement

তবে পরিশেষে বলি, আমাদের কথা শুনে কোনও বাইক কিনবেন না। তার আগে নিজে রিসার্চ করুন। তারপর যদি ভাল লাগে, তাহলেই কিনবেন। তার আগে নয়। নইলে অনেক টাকা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কাই বাড়বে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement