
এখন অনেকেই টাকা ব্যাঙ্কে ফেলে রাখতে চান না। এমনকী আরডি এবং এফডি-এর দিকেও তারা তাকান না। বরং তারা মিউচুয়াল ফান্ডের উপরই রাখেন ভরসা। তাতে একটু ঝুঁকি থাকলেও রিটার্ন বেশি মেলে।
তবে একটা কথা মাথায় রাখতে হবে যে মিউচুয়াল ফান্ড কেনার আগে কিছু বিষয়ে নজর রাখা জরুরি। এগুলির দিকে না তাকালে আদতে ঠকতে পারেন। কিছুটা টাকা লসে যেতে পারে। তাই এই ভুল আর নয়।
রিস্ক নেওয়ার সময় ক্ষমতা বুঝতে হবে
সবার আগে নিজের ঝুঁকি নেওয়ার ক্ষমতা সম্পর্কে বুঝতে হবে। দেখতে হবে, আপনি কতটা রিস্ক সইতে পারেন। সেই মতোই আপনাকে ফান্ড খুঁজতে হবে। এক্ষেত্রে যদি খুব বেশি ঝুঁকি নিতে পারেন, তাহলে স্মলক্যাপ ফান্ডে করতে পারেন ইনভেস্টমেন্ট। আর যদি ঝুঁকি নেওয়ার ক্ষমতা কম থাকে, তাহলে লার্জ ক্যাপে বিনিয়োগ করাই বুদ্ধিমানের কাজ।
ফান্ডের পারফর্ম্যান্স
অনেকেই ফান্ডের পারফর্ম্যান্স না দেখে কিনে ফেলেন। তারা লোকের কথাতেই কিনে ফেলেন ফান্ড। আর এটাই হল বড় ভুল। তাতে আখেরে ক্ষতি হয়। তাই এই ভুল আর নয়। তার বদলে ফান্ডের ৩ বছর, ৫ বছর বা ১০ বছরের পারফর্ম্যান্স দেখুন। তারপরই না হয় কিনবেন মিউচুয়াল ফান্ড।
কস্ট এক্সপেন্স রেশিও
মিউচুয়াল ফান্ডে আপনি নিজে স্টকে টাকা লাগাচ্ছেন না। তার বদলে ফান্ড ম্যানেজাররা লাগায় টাকা। আর সেই কারণেই তাদের কিছু কমিশন থাকে। আর সেটাকেই এক্সপেন্স রেশিও বলে। তাই চেষ্টা করুন এমন কোনও ফান্ড বেছে নেওয়ার যার এক্সপেন্স রেশিও কস্ট কম।
ফান্ড ম্যানেজারের অভিজ্ঞতা
জীবনের সব জায়গাতেই অভিজ্ঞতা কাজে আসে। বিশেষত, ফান্ড ম্যানেজমেন্টের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা মাথায় রাখা মাস্ট। যেই ফান্ড ম্যানেজারের অভিজ্ঞতা যত বেশি, তিনি তত ভালভাবে আপনার টাকা ম্যানেজ করবেন। তাই ফান্ড কেনার আগে অবশ্যই ফান্ড ম্যানেজারের এক্সপেরিয়েন্সটা মাথায় রাখুন।
পোর্টফোলিও দেখুন ফান্ডের
সকলেই শুধু ফান্ডটা কী ক্যাটাগরির সেটা দেখেন। কিন্তু সেই ফান্ডের অধীনে কী ধরনের স্টক রয়েছে, সেটা দেখেন না। আর সেটাই বিরাট ভুল করে ফেলেন। তাই তাদের টাকা ভুল জায়গায় ইনভেস্ট হয়ে যায়। তাই আপনাকে অবশ্যই ফান্ডের পোর্টফোলিও দেখতে হবে।
বিদ্র: এই নিবন্ধটি পড়ে আবার স্টক কিনবেন না বা বিনিয়োগ করবেন না। এটি খবর দেওয়ার এবং শিক্ষার উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছে। কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। এছাড়া নিজেও করুন রিসার্চ। তারপরই স্টকে করুন ইনভেস্ট।