
7th Pay Commission: কেন্দ্রীয় সরকার শীঘ্রই লক্ষাধিক কর্মচারীকে সুখবর দিতে পারে। আগামী মাসে সরকারি কর্মচারীদের ডিএ বাড়তে পারে বলে খবর। এটাও বলা হচ্ছে যে সরকার ১৮ মাসের বকেয়া ডিএও দিতে পারে। ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২১ সালের জুন পর্যন্ত সরকারি কর্মচারীদের ডিএ-এর টাকা এখনও পাওয়া যায়নি। কোভিডের কারণে সরকার ডিএ প্রদান আটকে রেখেছিল কেন্দ্র। আগামী মাসে সরকার বকেয়া ডিএ-সহ ভাতা সম্ভবত বাড়তে পারে।
কতটা বাড়তে পারে
বর্তমানে সরকার ৩৪ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা দিচ্ছে। AICPI সূচকের তথ্য বলছে, এবার ডিএ ৪-৫ শতাংশ বাড়তে পারে। তবে এখন পর্যন্ত সরকার এ বিষয়ে কিছু জানায়নি। মে এবং জুনের AICPI সূচকের পরিসংখ্যান এখনও আসেনি। এই পরিসংখ্যান আসার পরেই সরকার ডিএ বৃদ্ধির বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত মূল্যস্ফীতির হার দেখেই মানুষ ডিএ বৃদ্ধির অঙ্কটা অনুমান করছে।
কীভাবে DA নির্ধারণ করা হয়?
কর্মীদের ডিএ বৃদ্ধি AICPI-এর ডেটার উপর ভিত্তি করে। ২০২২ সালে AICPI-এর পরিসংখ্যানে ক্রমাগত বৃদ্ধি হয়েছে। এপ্রিলে, AICPI সূচক ১২৭.৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। মে ও জুন মাসে যদি এই সংখ্যা ১২৯ ছাড়িয়ে যায়, তবে এটা নিশ্চিত যে সরকারি কর্মচারীদের ডিএ ৪-৫ শতাংশ বাড়বে। ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতির কারণে মার্চ মাসে সরকার ডিএ তিন শতাংশ বাড়িয়েছিল। সরকারি কর্মচারীদের দেওয়া ডিএ তাদের আর্থিক সহায়তা বেতন কাঠামোর অংশ হবে। ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতি সত্ত্বেও কর্মচারীদের জীবনযাত্রার মান যেন কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, এটাই সরকারের প্রচেষ্টা।
উপকৃত হবেন ৫০ লাখ কর্মী
আগামী মাসে ডিএ বাড়ানোর পাশাপাশি সরকার বকেয়াও দিতে পারে বলে জানানো হচ্ছে। যদি এটি ঘটে তবে লেভেল ১ কর্মীদের ডিএ বকেয়া ১১৮৮০ থেকে ৩৭০০০ টাকার মধ্যে হতে পারে। একই সময়ে, সরকার লেভেল ১৩ কর্মীদের ডিএ বকেয়া হিসাবে ১,৪৪,২০০ থেকে ২,১৮,২০০ টাকা দিতে পারে। মুদ্রাস্ফীতির পরিসংখ্যান মাথায় রেখে সরকার যদি কর্মচারীদের ডিএ চার শতাংশও বাড়ায়, তবে ৫০ লাখ কর্মচারী এবং ৬৫ লাখ পেনশনভোগী সুবিধা পাবেন।