
Best Investment Plans: মাত্র ২ বছর। তার মধ্যেই খেলা ঘোরাতে পারে আদানি এনার্জি সলিউশন লিমিটেডের (Adani Energy Solution Share) শেয়ার। এমনই প্রেডিকশন ব্রোকরেজ সংস্থা ভেনচুরা সিকিউরিটিজের। তাদের মতে, current দামের তুলনায় এই শেয়ার আগামিদিনে প্রায় ৫৩ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। টার্গেট প্রাইস ১,২৯৮ টাকা। বর্তমানে বাজারে এই শেয়ারের দাম ৮৪৬.৬৫ টাকা।
ভেনচুরা সিকিউরিটিজের অ্যানালিসিস, ২০২৮-এর হিসাব করলে দেখা যাচ্ছে, এই সংস্থার EV/EBITDA-র মাল্টিপল ১২.২ গুণে ট্রেড করছে। অথচ ডিসকাউন্টেড ক্যাশ ফ্লো (DCF) এই একই সময়ে EV/EBITDA-র মাল্টিপল দাঁড়াচ্ছে ১৬.২ গুণ। আর ঠিক এই গ্যাপের কারণেই এই শেয়ারের দাম আরও ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মত বিশ্লেষকদের।
ভেনচুরার রিপোর্ট অনুযায়ী, এই সংস্থার লাভজনক হওয়ার সমস্ত লক্ষণ রয়েছে। আগামী কয়েক বছরে ট্রান্সমিশন ব্যবসার গ্রোথ হতে পারে। পাশাপাশি স্মার্ট মিটারিং সেগমেন্টেরও দ্রুত সম্প্রসারণ হচ্ছে। এই তিন কারণেই মূলত ভাল গ্রোথের আশা করছেন বিশ্লেষকরা। বিশেষত, স্মার্ট মিটারিং ব্যবসা থেকে মার্জিন ও ক্যাশ ফ্লো উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে বলেই মনে করছে ব্রোকরেজ সংস্থা। তাদের অনুমান, ২০২৫ থেকে ২০২৮-এর মধ্যে সংস্থার রেভিনিউ ২৫.৯ শতাংশ, EBITDA ২৬.১ শতাংশ এবং নেট প্রফিট ৫৮.১ শতাংশ হারে চক্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি হতে পারে।
ভেনচুরার হিসাব অনুযায়ী, আর্থিক বছর ২০২৮-এ সংস্থার মোট রাজস্ব দাঁড়াতে পারে ৪৭,৪৭১ কোটি টাকা। EBITDA হতে পারে প্রায় ১৪,১৮৪ কোটি টাকা এবং শুদ্ধ লাভ পৌঁছতে পারে ৪,১৮৯ কোটি টাকায়। EBITDA মার্জিন ১৫ বেসিস পয়েন্ট বেড়ে ২৯.৯ শতাংশে পৌঁছনোর সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি, নেট মার্জিনে ৪৩৬ বেসিস পয়েন্ট বৃদ্ধির ফলে তা ৮.৮ শতাংশে পৌঁছতে পারে বলে অনুমান।
ক্যাশ ফ্লোর উন্নতির প্রভাবে ঋণের চাপও কিছুটা কমতে পারে। নেট ডেট-টু-ইক্যুইটি অনুপাত নেমে আসতে পারে ২.৩ গুণে এবং নেট ডেট-টু-EBITDA অনুপাত কমে ৫.২ গুণ হওয়ার সম্ভাবনা। একই সঙ্গে রিটার্ন অন ইক্যুইটি ১২.৯ শতাংশ এবং রিটার্ন অন ইনভেস্টেড ক্যাপিটাল ১০.২ শতাংশে উন্নীত হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
তবে সাম্প্রতিক ত্রৈমাসিক ফলাফলে মিশ্র ছবি। চলতি আর্থিক বছরের তৃতীয় ত্রৈমাসিকে সংস্থার রাজস্ব বেড়ে হয়েছে ৬,৭৩০ কোটি টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় ১৫.৪ শতাংশ বেশি। EBITDA বেড়ে হয়েছে ১,৯৯৫ কোটি টাকা, বার্ষিক বৃদ্ধির হার ২০.২ শতাংশ। EBITDA মার্জিনও এক বছরে ২৮.৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ২৯.৭ শতাংশে পৌঁছেছে। যদিও শুদ্ধ লাভ সামান্য কমে ৫৫২ কোটি টাকায় নেমেছে। এর পিছনে এককালীন কর সুবিধা এবং উচ্চ কার্যকর কর হারের প্রভাবের কথাই জানিয়েছে ব্রোকরেজ সংস্থা।
(দ্রষ্টব্য: এখানে উল্লিখিত টার্গেট ও মতামত সংশ্লিষ্ট ব্রোকরেজ সংস্থার নিজস্ব। বিনিয়োগের আগে নিজস্ব আর্থিক উপদেষ্টার পরামর্শ নিন।)