
ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিরাট দাবি করলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর তাঁর ভাষণের পরই পড়ল ভারতের শেয়ারবাজার। আসলে ট্রাম্প জানিয়েছেন, আগামী ২ থেকে ৩ সপ্তাহের মধ্যে কোনও বড় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। শুধু তাই নয়, তাঁর আরও বক্তব্য হল, 'আমরা ওই রুট দিয়ে তেল আমদানি করি না। যেই সকল দেশ এই সমুদ্র পথ দিয়ে তেল আমদানি করে, তারা চিন্তা করুন। তারা এগিয়ে আসুন। আমেরিকা সাহায্য করবে।'
আর ট্রাম্পের এই বক্তব্যের পরই ডলারের দাম ঊর্ধ্বমুখী। যার ফলে সোনা এবং রুপোর দাম বিশ্বজুড়েই পড়েছে। ৫ মে সিলভার ফিউচারের দাম ১৩,০০০ টাকা পড়েছে। এখন এর দাম রয়েছে ২২৯,৮৮৮ প্রতি কেজি।
ও দিকে আবার সোনার দামেও বড় পতন এসেছে। মাল্টি কমোডিটি মার্কেটে সোনার দাম ২,২০০ টাকা কমে এখন ১৫১,১৬১ টাকা প্রতি ১০ গ্রামে গিয়ে ঠেকেছে।
বিশ্ব বাজারে সোনা এবং রুপোর দামে বড় পতন
আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম ২.১৫ শতাংশ পড়েছে। এটির দাম গিয়ে ঠেকেছে ৪,৭১০.৯৫ ডলার প্রতি আউন্স। ওদিকে সিলভারের দাম ৫.২০ শতাংশ কমেছে। এটির দাম এখন ৭২.১০৮ ডলার প্রতি আউন্স।
কেন সোনা এবং রুপোর দাম কমছে?
১. ডোনাল্ড ট্রাম্প কী বলছেন, তার উপর অনেক কিছুই নির্ভর করে। তিনি জানিয়েছেন যে আগামী ২ থেকে ৩ সপ্তাহের মধ্যে বড় কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করা হতে পারে। আর তাঁর এই বক্তব্য সামনে আসার পরই বিশ্ব বাজার নড়ে গিয়েছে। এই পরিস্থিতি যে আরও খারাপ দিকে যেতে পারে, সেটা আশঙ্কা করছেন অনেকে। তার ফলে সোনা এবং রুপোর দাম পড়তে শুরু করেছে।
২. অপরিশোধিত তেলের দামও অনেকটাই বেড়েছে। ব্যারেল প্রতি ৮ ডলার বৃদ্ধি পেয়েছে দাম। যার ফলে ১০৬ ডলারে পৌঁছে গিয়েছে তেলের দাম।
৩. ডলারের ইন্ডেক্স বাড়তে শুরু করেছে। এটা ১০০-এর কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে। ওদিকে ডলারের সাপেক্ষে টাকার দাম পৌঁছে গিয়েছে ৯৪ টাকায়। আর ডলারের এই শক্তি বৃদ্ধির ফলেও কমছে সোনা-রুপোর দাম।
সেনসেক্স, নিফটিরও হাল খারাপ
আজ দিনের শুরুতেই হাল খারাপ সেনসেক্স এবং নিফটির। এই প্রতিবেদন লেখার সময় ১৪৪৬ পয়েন্ট পড়েছে। এটি রয়েছে ৭১,৭১২ পয়েন্টে। ও দিকে হাল খারাপ নিফটিরও। এটি ৪৩৮ পয়েন্ট তলিয়ে গিয়েছে। এটি রয়েছে ২২,২৩৩ পয়েন্টে।