
সরকারের বিভিন্ন নীতির প্রতিবাদে দুই দিনের ভারত বনধের (Bharat Band) ডাক দিয়েছে ট্রেড ইউনিয়নগুলি। এই ভারত বনধ আজ থেকে শুরু হয়েছে এবং চলবে আগামিকাল পর্যন্ত। এ কারণে ব্যাঙ্কিং (Banking), রেলওয়ে (Railway),বিদ্যুৎসহ ((Power Supply) অনেক সেবাক্ষেত্রে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। বেসরকারিকরণের বিরুদ্ধে এই ধর্মঘটে অংশ নিচ্ছেন ব্যাঙ্কের কর্মচারীরা। এটি সারাদেশে ব্যাঙ্কিং কার্যক্রমে ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারে। এর পাশাপাশি, দুদিনের ধর্মঘটের কারণে ATM-এও নগদ অর্থের সমস্যা হতে পারে বলেও আশঙ্কা রয়েছে। দেশের বৃহত্তম ব্যাঙ্ক SBI খোদ এ নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে।
টানা ৪ দিন ব্যাঙ্কিং পরিষেবা অমিল
সাপ্তাহিক ছুটির কারণে ব্যাঙ্কগুলি ইতিমধ্যে ২ দিন বন্ধ ছিল। এই ধর্মঘটের কারণে মানুষের সমস্যা আরও বাড়তে চলেছে। ২৬শে মার্চ ছিল মাসের চতুর্থ শনিবার, আর ২৭শে মার্চ ছিল রবিবার। এ কারণে টানা ২ দিন ব্যাঙ্ক বন্ধ রয়েছে। এখন ধর্মঘটের কারণে সোমবার (২৮ মার্চ) ও মঙ্গলবার (২৯ মার্চ) ব্যাঙ্কগুলো বন্ধ থাকবে। এভাবে টানা ৪ দিন থমকে যাচ্ছে দেশের ব্যাঙ্কিং কার্যক্রম।
এসব ক্ষেক্রেও প্রভাব পড়তে পারে
দ্য প্ল্যাটফর্ম অফ সেন্ট্রাল ট্রেড ইউনিয়ন এবং সেক্টরাল ফেডারেশন এবং অ্যাসোসিয়েশনের বিবৃতি অনুসারে, প্রয়োজনীয় পরিষেবার কর্মচারীরাও এই দুই দিনের ভারত বনধে অংশ নিচ্ছেন। বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে যে সড়ক, পরিবহন এবং বিদ্যুতের মতো প্রয়োজনীয় পরিষেবার কর্মচারীরাও ভারত বনধে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ব্যাঙ্কিং ও বীমাসহ আর্থিক খাতও এতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এগুলি ছাড়াও কয়লা, ইস্পাত, তেল, টেলিযোগাযোগ, ডাক, আয়কর ইত্যাদি সেক্টরের কর্মীরাও ভারত বনধের অংশ হয়ে উঠছেন৷