Advertisement

Bike Choosing Tips: ক্রুজার, অ্যাডভেঞ্চার নাকি নেকড, ২ লাখ টাকার বাজেটে কোন বাইক কেনা Best?

Best Bikes Under 2 Lakh: রোজকার অফিস যাতায়াতের পাশাপাশি মাঝেমধ্যে লং রাইড। বাইক কেনার সময় এখন ইয়াং জেনারেশন এই দু'টিই একসঙ্গে চায়। কিন্তু অল্প বয়সে মধ্যবিত্ত ফ্যামিলিতে বাজেটটাও একটা বড় ইস্য়ু। সাধারণত তাই ২ লক্ষ টাকার মধ্যেই সকলে বাইক খোঁজেন।

 বাইক সিলেক্ট করার সময় কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখা জরুরি। বাইক সিলেক্ট করার সময় কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখা জরুরি।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 16 Feb 2026,
  • अपडेटेड 5:08 PM IST
  • রোজকার অফিস যাতায়াত আর মাঝে মাঝে উইকেন্ড ট্যুর।
  • এমন চাহিদার নিরিখে বাইক বাছাই করা মোটেও সহজ নয়।
  • নির্দিষ্ট মডেল এই সমস্ত প্রয়োজনই একসঙ্গে মেটাতে পারে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

 Best Bikes Under 2 Lakh: রোজকার অফিস যাতায়াতের পাশাপাশি মাঝেমধ্যে লং রাইড। বাইক কেনার সময় এখন ইয়াং জেনারেশন এই দু'টিই একসঙ্গে চায়। কিন্তু অল্প বয়সে মধ্যবিত্ত ফ্যামিলিতে বাজেটটাও একটা বড় ইস্য়ু। সাধারণত তাই ২ লক্ষ টাকার মধ্যেই সকলে বাইক খোঁজেন। তখন আরাম, মাইলেজ, সাসপেনশন ও পিলিয়ন কমফোর্ট; সব মিলিয়ে সঠিক বাইক বেছে নেওয়া সহজ নয়। তবু বিশেষজ্ঞদের মতে, কয়েকটি নির্দিষ্ট মডেল এই চাহিদাগুলির মধ্যে ভাল ভারসাম্য রাখতে পারে। ভারতের শহুরে জীবনে মোটরবাইক এখন শুধু শখের নয়, প্রয়োজনেরও বাহন। প্রতিদিন ৮-১০ কিলোমিটার অফিস যাতায়াতের সঙ্গে সপ্তাহান্তে শহরের বাইরে ছোট সফর; এই ব্যবহারের জন্য বাইক সিলেক্ট করার সময় কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখা জরুরি। যেমন, ভারতীয় রাস্তার জন্য শক্তপোক্ত সাসপেনশন, যথেষ্ট মাইলেজ, আরামদায়ক সিট, পিলিয়নের বসার সুবিধা এবং তুলনামূলক কম সিট হাইট।

এই সব দিক বিবেচনা করলে ২ লক্ষ টাকার মধ্যে কয়েকটি বাইক বিশেষভাবে নজর কাড়ে।

প্রথমেই অ্যাডভেঞ্চার সেগমেন্টের কথা বলা যায়। এই শ্রেণির বাইকে সাধারণত লং ট্রাভেল সাসপেনশন থাকে, যা খারাপ রাস্তা সামলাতে সুবিধা দেয়। ২১০ সিসি ইঞ্জিনের একটি অ্যাডভেঞ্চার বাইক শহরের পাশাপাশি হাইওয়েতেও ব্যবহারযোগ্য। ভাল গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স এবং হালকা ওজনের কারণে দৈনন্দিন ব্যবহারে সমস্যা হয় না। তবে তুলনামূলক বেশি সিট হাইট পিলিয়নের ওঠানামায় কিছুটা অসুবিধা তৈরি করতে পারে। এই ধরনের বাইকের দাম সাধারণত প্রায় ১.৮ লক্ষ টাকার আশপাশে এবং মাইলেজ প্রায় ৪০ কিলোমিটার প্রতি লিটার।
 


অন্যদিকে, আরামদায়ক রাইডিং পজিশন চাইলে ক্লাসিক স্টাইলের মোটরবাইক এখনও অনেকের প্রথম পছন্দ। ৩৫০ সিসি ইঞ্জিনের ক্লাসিক ক্রুজার বাইকগুলিতে টর্ক ডেলিভারি স্মুদ হয় এবং সিট তুলনামূলক বড় হওয়ায় পিলিয়ন কমফোর্ট বেশি। সিট হাইটও খুব বেশি নয়, ফলে বয়স্ক বা মহিলা পিলিয়নের ক্ষেত্রেও সুবিধা হয়। শহরের রাস্তায় যেমন স্বচ্ছন্দ, তেমনই দীর্ঘ সফরেও ক্লান্তি কম লাগে। এই সেগমেন্টের বাইকের দাম সাধারণত ১.৯ থেকে ২ লক্ষ টাকার মধ্যে, আর মাইলেজ গড়ে ৩৫–৩৮ কিলোমিটার প্রতি লিটার।

যাঁরা একটু স্পোর্টি লুক চান কিন্তু দৈনন্দিন ব্যবহারের আরামের সঙ্গেও আপস করতে চান না, তাঁদের জন্য স্ট্রিট নেকেড সেগমেন্টের বাইক ভাল বিকল্প হতে পারে। প্রায় ২০০ সিসি ইঞ্জিনের হালকা ওজনের বাইক শহরের ট্রাফিকে চালানো সহজ। ভাল সাসপেনশন সেটআপ থাকায় দৈনন্দিন রাস্তায়ও আরাম বজায় থাকে। এই ধরনের বাইকের দাম প্রায় ১.৫ লক্ষ টাকার কাছাকাছি এবং মাইলেজ প্রায় ৩৮–৪০ কিলোমিটার প্রতি লিটার।

Advertisement

 একইভাবে ২৫০ সিসি সেগমেন্টের কিছু বাইকও শক্তিশালী মিড-রেঞ্জ পারফরম্যান্স ও আরামদায়ক সিটের জন্য জনপ্রিয়। এই বাইকগুলির দাম সাধারণত ১.৫ থেকে ১.৮ লক্ষ টাকার মধ্যে এবং মাইলেজ গড়ে ৩৫ কিলোমিটার প্রতি লিটার। শহরের ব্যবহারের পাশাপাশি মাঝেমধ্যে হাইওয়ে রাইডের জন্যও এগুলি উপযোগী।

সব মিলিয়ে দেখা যাচ্ছে, পিলিয়ন কমফোর্ট ও সহজ রাইডিংকে অগ্রাধিকার দিলে ক্লাসিক স্টাইলের বাইক এগিয়ে থাকে। আর যদি আধুনিক লুক ও তুলনামূলক হালকা ওজনের বাইক চান, তবে স্ট্রিট নেকেড বা স্পোর্টি মডেল ভাল বিকল্প হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অবশ্যই টেস্ট রাইড করা উচিত। কয়েক মিনিট চালালেই বোঝা যায় কোন বাইকটি নিজের জন্য সবচেয়ে আরামদায়ক। শেষ পর্যন্ত বাইকের লুক নয়, রাইডিং কমফোর্ট এবং ব্যবহারিক সুবিধাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

Read more!
Advertisement
Advertisement