Advertisement

Salary Alert: চাকরিজীবীরা ৩১ মার্চের আগে করুন এই ৫ কাজ, নাহলে কাটা যাবে বেতন

আয়কর বিধি ২০২৬, ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে। নয়া নিয়ম ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের আয় এবং ২০২৭-২৮ মূল্যায়ন বর্ষের কর রিটার্নের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। যদি কর্মরত থাকেন, তবে রিটার্ন দাখিলের শেষ তারিখ ৩১ মার্চ, ২০২৬। এই তারিখের মধ্যে কিছু গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক কাজ সম্পন্ন করতে হবে। তা করতে ব্যর্থ হলে বেতন থেকে অতিরিক্ত কর কেটে নেওয়া হতে পারে, যার ফলে হাজার হাজার টাকা ক্ষতি হতে পারে। জানুন কোন কোন গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন করতে হবে।

প্রতীকী ছবিপ্রতীকী ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 30 Mar 2026,
  • अपडेटेड 11:20 AM IST

আয়কর বিধি ২০২৬, ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে। নয়া নিয়ম ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের আয় এবং ২০২৭-২৮ মূল্যায়ন বর্ষের কর রিটার্নের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। যদি কর্মরত থাকেন, তবে রিটার্ন দাখিলের শেষ তারিখ ৩১ মার্চ, ২০২৬। এই তারিখের মধ্যে কিছু গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক কাজ সম্পন্ন করতে হবে। তা করতে ব্যর্থ হলে বেতন থেকে অতিরিক্ত কর কেটে নেওয়া হতে পারে, যার ফলে হাজার হাজার টাকা ক্ষতি হতে পারে। জানুন কোন কোন গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন করতে হবে।

১. প্রথমে এটি করুন
২০২৬ সালের ৩১ মার্চের আগে কী কী করতে হবে জেনে রাখুন। যদি পুরনো কর ব্যবস্থা (Old Tax Regime) বেছে নিয়ে থাকেন, ছাড়ের সুবিধা নিতে চান, তাহলে ৩১ মার্চের আগে বিনিয়োগ করা অপরিহার্য। ৮০সি, ৮০ডি, ৮০ই এবং ৮০জি ধারার অধীনে ছাড় শুধুমাত্র তখনই পাওয়া যাবে, যদি সময়মতো বিনিয়োগ করেন। তা করতে ব্যর্থ হলে করের পরিমাণ বেড়ে যাবে। এর ফলে বেতন থেকে টিডিএস (TDS) বাবদ বেশি অর্থ কাটা হতে পারে।

২. এরপর কী করবেন
যদি চাকরি থাকে, তবে বিনিয়োগের প্রমাণ জমা না দিয়ে থাকেন, তবে এটিই সবচেয়ে বড় ভুল। যদি বছরের শুরুতে কর সাশ্রয়ের জন্য বিনিয়োগ সংক্রান্ত তথ্য দিয়ে থাকেন, কিন্তু আজ পর্যন্ত অফিসে কাগজপত্র জমা না দিয়ে থাকেন, তাহলে নিয়োগকর্তারা সম্পূর্ণ বেতনকে করযোগ্য হিসেবে গণ্য করে আরও বেশি কর কেটে নিতে পারেন। এই পরিস্থিতিতে হাতে আসা বেতন কম হতে পারে। দেরি না করে অবিলম্বে বিনিয়োগের প্রমাণপত্র জমা দিন।

৩. তৃতীয়ত, এই কাজটি করুন
যদি গৃহঋণ থাকে এবং কর দেওয়া এড়াতে চান, তবে সুদ শংসাপত্র সংগ্রহ করা অপরিহার্য। এটি ছাড়া আপনি কর ছাড় দাবি করতে পারবেন না। নিয়ম অনুযায়ী, গৃহ ঋণের সুদের উপর ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত এবং মূলধনের উপর ১.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ছাড় দাবি করতে পারেন, কিন্তু আপনার কাছে সঠিক কাগজপত্র থাকতে হবে।

Advertisement

৪. চতুর্থত, কী করণীয়:
যদি এই অর্থবর্ষে চাকরি পরিবর্তন করে থাকেন, তাহলে অবশ্যই ফর্ম 12B জমা দিন, কারণ এটি অতীত ও বর্তমান আয়কে একত্রিত করে সঠিক কর গণনা করবে। যদি এটি না করেন, তাহলে দু'বার কর কাটা হতে পারে, যার ফলে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা থাকে।

৫. এই পঞ্চম কাজটি দ্রুত সম্পন্ন করুন
যদি আগে দাখিল করা আয়কর রিটার্নে (ITR) কোনও ভুল করে থাকেন, তবে তা সংশোধন করার শেষ সুযোগ হল ৩১ মার্চ। ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত একটি সংশোধিত রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন। এর মাধ্যমে, আয়কর বিভাগ থেকে ভবিষ্যতে আসা নোটিশ বা জরিমানা এড়াতে পারবেন।
 

Read more!
Advertisement
Advertisement