Advertisement

SIR Unmapped Voter: ২০০২ লিস্টে পরিবারের কারও নাম ছিল না? আনম্যাপড ভোটারদের শেষ সুযোগ কমিশনের

রাজ্যের একটা বড় অংশের ভোটার আনম্যাপড। অর্থাৎ ২০০২ সালের ভোটার লিস্টে তাঁদের বা পরিবারের কারও নাম ছিল না। আর এই সব ভোটারদের শুনানিতে ডেকেছিল কমিশন। তাঁদের মধ্যে অনেকেই প্রমাণ নিয়ে উপস্থিত হয়েছেন। তবে কিছু মানুষের পক্ষে তা সম্ভব হয়নি। আর সেই সব আনম্যাপড ভোটারদের শেষ সুযোগ দিল নির্বাচন কমিশন। 

আনম্যাপড ভোটারদের শেষ সুযোগআনম্যাপড ভোটারদের শেষ সুযোগ
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 13 Feb 2026,
  • अपडेटेड 11:07 AM IST
  • রাজ্যের একটা বড় অংশের ভোটার আনম্যাপড
  • ২০০২ সালের ভোটার লিস্টে তাঁদের বা পরিবারের কারও নাম ছিল না
  • আনম্যাপড ভোটারদের শেষ সুযোগ দিল নির্বাচন কমিশন

রাজ্যের একটা বড় অংশের ভোটার আনম্যাপড। অর্থাৎ ২০০২ সালের ভোটার লিস্টে তাঁদের বা পরিবারের কারও নাম ছিল না। আর এই সব ভোটারদের শুনানিতে ডেকেছিল কমিশন। তাঁদের মধ্যে অনেকেই প্রমাণ নিয়ে উপস্থিত হয়েছেন। তবে কিছু মানুষের পক্ষে তা সম্ভব হয়নি। আর সেই সব আনম্যাপড ভোটারদের শেষ সুযোগ দিল নির্বাচন কমিশন। 

কী সুযোগ?
কমিশন সূত্রে জানা যাচ্ছে যে, এখনও যাঁরা আনম্যাপড ভোটার, তাঁদের ফিল্ড এনকোয়ারি হবে। ওই ভোটারদের জন্য থাকবে নির্দিষ্ট ফরম্যাট। সেই ফরম্যাট মেনে পাঁচজন বৈধ ভোটারকে করতে হবে সই। এরপর আবার বিএলও, সুপারভাইজার এবং ইআরও-দের করতে হবে সাক্ষর। তাহলেই ফাইনাল ভোটার তালিকায় নাম থাকবে তাঁদের। 

তাই যাঁরা এখনও কমিশনের নজরে আনম্যাপড, তাঁরা তৈরি থাকুন। আপনাদের জন্য বিশেষ সুযোগ এনে দিল কমিশন। এই নিয়ম মেনে চললেই আপনার নাম উঠে যাবে ফাইনাল ভোটার লিস্টে। 

প্রসঙ্গত, SIR-এর প্রথম পর্যায়ে ১.৩৬ কোটি ভোটারকে তথ্যগত অসঙ্গতির জন্য চিহ্নিত করেছিল কমিশন। তবে পরে সেই সংখ্যা অনেকটাই কমানো হয়। তারপর ৯৪ লক্ষ মানুষকে ডাকা হয় হিয়ারিংয়ে। আর এই তালিকার একটা বড় অংশ ছিল আনম্যাপড। এবার সেই ভোটারদেরই শেষ সুযোগ দিচ্ছে কমিশন। 

ফাইনাল লিস্টে নাম না থাকলে কী হবে? 
১৪ ফেব্রুয়ারি বেরনোর কথা ছিল ফাইনাল লিস্ট। তবে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর সেটা আর সম্ভব হচ্ছে না। যার ফলে ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা বেরবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে। আর অনেকেই আশঙ্কা করছেন সেই লিস্টে থাকবে না নাম। এখন প্রশ্ন হল, এমনটা হলে ঠিক কী করতে হবে? আর সেই উত্তরটাও দিয়ে দিয়েছে কমিশন। তাঁদের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে যে এমনটা হলে ফাইনাল লিস্ট বেরনোর ১৫ দিনের মধ্যে কমিশনে করতে হবে আবেদন। সব নথি ঠিক ঠাক থাকলে ফাইনাল ভোটার তালিকায় থাকবে নাম। 

যদিও একটা কথা বলে রাখি, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার মানে নাগরিকত্ব চলে যাওয়া নয়। ভোটার তালিকার সঙ্গে নাগরিকত্বের কোনও সম্পর্ক নেই। তাই এই ভয়টা পাবেন না। বরং মাথা ঠান্ডা রাখুন। ভোটার তালিকায় নাম না থাকলে দ্রুত করুন আবেদন। তাহলেই আবার নাম জুড়ে যাবে। খামোখা চিন্তা করে প্রেশার বাড়াবেন না।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement