Advertisement

Cost Prediction: আজ যে সংসার ২০ হাজার টাকায় চলে, ১০ বছর পর তাদের কত লাগবে?

Future Household Expenses: আজ যে সংসার মাসে ২০ হাজার টাকায় চলে, আগামী দশ বছরে সেই একই খরচ চালাতে আরও অনেক বেশি অর্থের প্রয়োজন হতে পারে। মুদ্রাস্ফীতির ধারাবাহিক প্রভাবের কারণে দৈনন্দিন জীবনের ব্যয় ক্রমশ বাড়ছে।

ভবিষ্যতের পারিবারিক বাজেট নিয়ে এখন থেকেই পরিকল্পনা করা জরুরি।ভবিষ্যতের পারিবারিক বাজেট নিয়ে এখন থেকেই পরিকল্পনা করা জরুরি।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 07 Feb 2026,
  • अपडेटेड 8:29 PM IST
  • আগামী দশ বছরে সেই একই খরচ চালাতে আরও অনেক বেশি অর্থের প্রয়োজন হতে পারে।
  • মুদ্রাস্ফীতির ধারাবাহিক প্রভাবের কারণে দৈনন্দিন জীবনের ব্যয় ক্রমশ বাড়ছে।
  • ধরা যাক, কোনও পরিবারের বর্তমান মাসিক খরচ ২০ হাজার টাকা।

Future Household Expenses: আজ যে সংসার মাসে ২০ হাজার টাকায় কোনও মতে চলছে, আগামী দশ বছরে সেই একই সংসার চালাতে অনেক বেশি অর্থের প্রয়োজন হতে পারে। মুদ্রাস্ফীতির ধারাবাহিক প্রভাবেই বাড়তে পারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম। অর্থনীতিবিদদের মতে, ভবিষ্যতের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে এখন থেকেই খরচ ও সঞ্চয়ের পরিকল্পনা করা জরুরি। বর্তমানে একটি ছোট বা মধ্যবিত্ত পরিবারের মাসিক খরচ যদি ২০ হাজার টাকা হয়, তবে সেই খরচের বড় অংশই যায় খাদ্য, বাসস্থান, বিদ্যুৎ, চিকিৎসা, শিক্ষা ও যাতায়াতের মতো প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই প্রতিটি ক্ষেত্রেই খরচ বাড়ার প্রবণতা দেখা যায়। বিশেষ করে শিক্ষা ও চিকিৎসার খরচ তুলনামূলক দ্রুত হারে বৃদ্ধি পায় বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞেরা।

ধরা যাক, আগামী দশ বছরে গড় মুদ্রাস্ফীতির হার বছরে প্রায় ৬ শতাংশ থাকে। সেই হিসাবে হিসাব করলে দেখা যায়, আজকের ২০ হাজার টাকার মাসিক খরচ দশ বছর পরে বেড়ে প্রায় ৩৬ হাজার টাকায় পৌঁছতে পারে। অর্থাৎ একই জীবনযাত্রা বজায় রাখতে প্রায় ৮০ শতাংশ বেশি অর্থের প্রয়োজন হতে পারে। মুদ্রাস্ফীতির হার বেশি হলে এই অঙ্ক আরও বাড়তে পারে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, মুদ্রাস্ফীতি ধীরে ধীরে টাকার ক্রয়ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। ফলে আয় একই থাকলেও খরচ বাড়তে থাকে। এই কারণেই দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক পরিকল্পনা করার সময় মুদ্রাস্ফীতির প্রভাবকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন। শুধু বর্তমান আয়ের উপর নির্ভর করলে ভবিষ্যতে আর্থিক চাপ তৈরি হতে পারে।

আর্থিক পরামর্শদাতাদের মতে, নিয়মিত সঞ্চয়ের পাশাপাশি বিনিয়োগের দিকেও নজর দেওয়া জরুরি। এমন বিনিয়োগের পরিকল্পনা করা উচিত, যেখানে সম্ভাব্য রিটার্ন মুদ্রাস্ফীতির হারের চেয়ে বেশি হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য; যেমন সন্তানের শিক্ষা, বাড়ি কেনা বা অবসরকালীন সঞ্চয়; পূরণের জন্য পরিকল্পিত বিনিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, পরিবারের বাজেট তৈরির সময় আয়ের একটি নির্দিষ্ট অংশ সঞ্চয়ের জন্য আলাদা রাখা উচিত। একই সঙ্গে জরুরি তহবিল তৈরি করা প্রয়োজন, যাতে হঠাৎ কোনও আর্থিক সমস্যার সময় অতিরিক্ত চাপ তৈরি না হয়। নিয়মিতভাবে সঞ্চয়ের পরিমাণ বাড়ানো এবং অপ্রয়োজনীয় খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখাও ভবিষ্যতের আর্থিক স্থিতি বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে।

Advertisement

অর্থনৈতিক বাস্তবতা বলছে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জীবনের খরচ বাড়বেই। তাই আজ যে সংসার ২০ হাজার টাকায় চলছে, দশ বছর পরে সেই একই সংসার চালাতে কত টাকা লাগতে পারে; সেই হিসাব এখন থেকেই কষে নেওয়া প্রয়োজন। পরিকল্পিত সঞ্চয় ও সচেতন বিনিয়োগই ভবিষ্যতের আর্থিক নিরাপত্তার অন্যতম চাবিকাঠি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞেরা।

Read more!
Advertisement
Advertisement