
কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন অনেকেই দেখেন। কিন্তু বুঝতে পারেন না ঠিক কীভাবে এই লক্ষ্যে পৌঁছনো সম্ভব। যদিও বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, কোটিপতি হওয়া খুবই সহজ। এক্ষেত্রে প্ল্যান করে বিনিয়োগ করলেই এই কাজে মিলবে সাফল্য।
জানলে অবাক হয়ে যাবেন, মাত্র ১০ হাজার টাকার SIP করেও ১ কোটি টাকা জমিয়ে ফেলতে পারবেন।
এখন প্রশ্ন হল, ঠিক কত দিন লাগতে পারে ১০ হাজার টাকা করে জমিয়ে ১ কোটির লক্ষ্যমাত্রা ছুঁতে? আর সেই হিসেবটাই দেওয়া হল নিবন্ধটিতে।
SIP কী?
এখন মোটের উপর অধিকাংশ মানুষই SIP সম্পর্কে জানেন। আসলে স্টক মার্কেটে বিনিয়োগ করার দুইটি পথ রয়েছে। আপনি চাইলে সরাসরি স্টক মার্কেটে টাকা বিনিয়োগ করতে পারেন। আর যাঁরা এমনটা চাইছেন না, তাঁরা মিউচুয়াল ফান্ডের মাধ্যমে করতে পারেন বিনিয়োগ। এক্ষেত্রে মাসে মাসে টাকা বিনিয়োগ করতে হয়। তাতেই একটা সময়ের পর রিটার্ন মেলে অনেকটা টাকা।
মাথায় রাখবেন, মাত্র ৫০০ টাকা দিয়েও SIP করা যায়। তবে এর কোনও আপার লিমিট নেই। যদিও আপনি চাইলে মাত্র ১০০০০ টাকা প্রতি মাসে মিউচুয়াল ফান্ডে রেখেই অনেকটা টাকা জমিয়ে ফেলতে পারবেন। এমনকী কোটিপতিও হতে পারেন।
১০ হাজার টাকা করে জমালে কত দিন লাগবে?
ধরা যাক আপনি ১০০০০ টাকা করে প্রতি মাসে জমাচ্ছেন। সেই টাকায় ১২ শতাংশ হারে রিটার্ন পেলেন। আর এভাবে আপনি ২৬ বছর বয়সেই কোটিপতি হয়ে যেতে পারেন। সেক্ষেত্রে ২৬ বছরে জমবে ৩১.২ লক্ষ টাকা। আর বাদবাদি টাকা আপনি রিটার্ন হিসেবে পাবেন। আর দেখা গিয়েছে যে, ১২ শতাংশ হারে শেয়ারবাজারে অনায়াসে রিটার্ন পাওয়া যায়।
১৪ শতাংশ হারে রিটার্ন পেলে?
হতেই পারে আপনি কোনওভাবে ১৪ শতাংশ হারে রির্টান পেলেন SIP-তে। সেক্ষেত্রে আপনি ২৩ বছরে হতে পারেন কোটিপতি।
এই হিসেবে ২৩ বছরে জমিয়ে ফেলতে পারেন ২৭.৬ লক্ষ টাকা। আর বাদবাকি টাকা রিটার্ন পাবেন বলেই ধরে নেওয়া যায়।
১০ শতাংশ হারে রিটার্ন পেলে?
মাত্র ১০ শতাংশ হারে রিটার্ন পেলে একটু বেশি সময় লাগবে। সেক্ষেত্রে ৩০ বছর লেগে যেতে পারে কোটিপতি হতে।
এই হিসেবে জমাতে পারেন ৩৬ লাখ টাকা। আর বাদবাকি টাকাকে রিটার্ন হিসেবে পাবেন। তবে দেখা গিয়েছে সাধারণত এত কম শতাংশ হারে রিটার্ন পাওয়া যায় না। মোটামুটি ১২ শতাংশ হারে রিটার্ন মেলে। তবে মার্কেট অনিশ্চিত। তাই কোনও কিছুই নিশ্চিত নয়।
বিদ্র: এই নিবন্ধটি পড়ে আবার স্টক কিনবেন না বা বিনিয়োগ করবেন না। এটি খবর দেওয়ার এবং শিক্ষার উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছে। কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। এছাড়া নিজেও করুন রিসার্চ। তারপরই স্টকে করুন ইনভেস্ট।