Advertisement

SIP calculator: ৫ হাজার টাকার SIP-তে রিটার্ন ৫০ লাখ, কত বছর লাগবে? জানুন হিসেব

অনেকের কাছেই স্বপ্ন থাকে অন্তত ৫০ লক্ষ টাকা জমিয়ে ফেলার। আর সেই কাজে আপনাকে সাহায্য করতে পারে SIP। নিয়মিত SIP করলে অনায়াসে ৫০ লক্ষ টাকার গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলতে পারবেন। 

SIP ক্যালকুলেটরSIP ক্যালকুলেটর
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 06 Apr 2026,
  • अपडेटेड 10:40 AM IST
  • অনেকের কাছেই স্বপ্ন থাকে অন্তত ৫০ লক্ষ টাকা জমিয়ে ফেলার
  • সেই কাজে আপনাকে সাহায্য করতে পারে SIP
  • নিয়মিত SIP করলে অনায়াসে ৫০ লক্ষ টাকার গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলতে পারবেন

অনেকের কাছেই স্বপ্ন থাকে অন্তত ৫০ লক্ষ টাকা জমিয়ে ফেলার। আর সেই কাজে আপনাকে সাহায্য করতে পারে SIP। নিয়মিত SIP করলে অনায়াসে ৫০ লক্ষ টাকার গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলতে পারবেন। 

আর আজকের নিবন্ধে সেই হিসেবটাই রইল। তাই আর অপেক্ষা নয়। বরং যত দ্রুত সম্ভব এই হিসেবটা জেনে নিন। তাহলেই সহজে কোটি টাকার মালিক হয়ে যেতে পারবেন। 

SIP নিয়ে কিছু কথা
অনেকেই SIP সম্পর্কে জানেন। আবার কেউ কেউ জানেন না। আর যাঁরা এই বিষয়টা সম্পর্কে জানেন না, তাঁদের জন্য কয়েকটি কথা আগে বলে দিই। 

আসলে SIP-এর পুরো কথা হল সিস্টেমেটিক ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যান। এই প্ল্যানের মাধ্যমে আপনি প্রতি মাসে নিয়ম করে একটা টাকা জমা দেন। আর সেই টাকাটা কোনও মিউচুয়াল ফান্ড হাউজ একাধিক স্টকে বিনিয়োগ করে। তাতেই মেলে ভাল রিটার্ন। মোটামুটি ১২ শতাংশ রিটার্ন পেতে পারেন। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে এর থেকে বেশি বা কম টাকাও রিটার্ন পাওয়া যায়। 

কত বছর লাগবে? 

  • যদি ৫ হাজার টাকা করে ইনভেস্ট করেন, তাহলে লাগবে ২২ বছর সময়।
  • আপনি যদি ১০ হাজার টাকা করে প্রতি বছর বিনিয়োগ করেন, তাহলে ১৫ বছরেই জমে যাবে ৫০ লক্ষ টাকা।
  • ১৫ হাজার টাকা করে যদি ইনভেস্ট করেন, তাহলে ১২ বছরেই জমে যাবে এই পরিমাণ টাকা।
  • এছাড়া ২০ হাজার টাকা করে যদি ইনভেস্ট করতে পারেন, তাহলে ১০ বছরে ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত রিটার্ন পেতে পারেন। 

তবে এই সব হিসেবই ১২ শতাংশ রিটার্ন ধরে। এর থেকে বেশি বা কম রিটার্ন পেলে হিসেব বদলে যাবে। তাই এই বিষয়টা প্রথমেই মাথায় রাখুন। 

SIP-এর সহজ হিসেব
SIP-এর মূলত তিন ধরনের ফান্ড হয়, লার্জ ক্যাপ, মিড ক্যাপ এবং স্মল ক্যাপ। আর দেখা গিয়েছে, লার্জ ক্যাপ ফান্ডে ঝুঁকি কিছুটা কম। অপরদিকে মিড ক্যাপ ফান্ড এবং স্মল ক্যাপ ফান্ডে ঝুঁকি অনেকটাই বেশি। এছাড়া এখন আরও অনেক ধরনের SIP হয়। সেগুলিতেও রিটার্ন মোটামুটি খারাপ নয়। 

তাই এই সব দিক মাথায় রেখেই বিনিয়োগ করে যান। নইলে বিপদ বাড়বে বই কমবে না। 

বিদ্র: এই নিবন্ধটি পড়ে আবার স্টক কিনবেন না বা বিনিয়োগ করবেন না। এটি খবর দেওয়ার এবং শিক্ষার উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছে। কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। এছাড়া নিজেও করুন রিসার্চ। তারপরই স্টকে করুন ইনভেস্ট।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement