
২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হয়েছিল ফাইনাল ভোটার লিস্ট। সেই তালিকায় প্রায় ৬০ লক্ষ ভোটার ছিলেন অ্যাডজুডিকেশন বা বিচারাধীনের তালিকায়। তাঁদেরই নাম নিষ্পত্তি করছেন বিচারবিভাগীয় আধিকারিকরা। তারপর একের পর এক সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট বেরিয়েছে। সেখানে অনেকের নাম বাদ পড়ছে। তবে যাঁদের নাম বাদ যাচ্ছে, তাঁরা চাইলেই আবেদন করতেন পারেন ট্রাইবুনালেন। সেই মতো রাজ্যে ১৯টি ট্রাইবুনাল তৈরি করা হয়েছে। আর সেখানে কীভাবে আবেদন করতে হবে, সেই বিষয়টা নিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করল কমিশন।
কীভাবে আবেদন?
ট্রাইবুনালে আবেদন করা যাবে দুইভাবে। প্রথমত, অনলাইনে করা যাবে আবেদন। আর দ্বিতীয়ত, অফলাইনে আবেদন করতে পারবেন।
অনলাইনে আবেদনের পদ্ধতি
অনলাইনে আবেদন করাই হল সবথেকে সহজ পদ্ধতি। সেক্ষেত্রে কমিশনের ওয়েবসাইট voter.eci.gov.in-এ গিয়ে আবেদন করুন। সেখানে গিয়ে সাবমিট অ্যাপিলস ফর ইন্ডিভিজুয়ালস নামের ট্যাবে গিয়ে ক্লিক করতে হবে। ব্যাস, তাহলেই অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন বলে জানিয়ে দিয়েছে কমিশন।
অফলাইনেও আবেদন করা যাবে
অবশ্য অনেকেই অনলাইন ব্যবস্থার সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারেন না। আর তাঁদের কথাও মাথায় রেখেছে কমিশন। সেই মতো করা হয়েছে অফলাইন ব্যবস্থা। এক্ষেত্রে ভোটারকে জেলাশাসক বা মহকুমাশাসকের কাছে গিয়ে আবেদন করতে হবে। সেই সব দফতরেই ভোটারদের আসল আবেদনের নথি সংরক্ষণ করা হতে পারে। এছাড়া ওই অফিস থেকেই ভোটারের হয়ে অনলাইনে আবেদন করে দেওয়া হবে।
কমিশন জানিয়েছে, অফলাইনে আবেদনের জন্য পরিষ্কার কাগজে নিজের বক্তব্য লিখতে হবে। সঙ্গে জুড়ে দিতে হবে এপিক কার্ডের নম্বর। তাহলেই কাজ হবে। ট্রাইবুনাল শুনবে আবেদন।
কারা আবেদন করতে পারবেন?
কমিশন জানিয়েছে, চাইলেই সকলে এখানে আবেদন করতে পারবেন না। বরং যাঁদের নাম অ্যাডজুডিকেশন থাকার অবস্থায় বাদ গিয়েছে, শুধু তাঁরাই এখানে আবেদন করতে পারবেন। আগেই যাঁদের নাম বাদ গিয়েছে, তাঁরা এখানে আবেদন করতে পারবেন না।
কতনামের নিষ্পত্তি হয়েছে?
২৮ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গে চূড়ান্ত ভোটার লিস্ট প্রকাশিত হয়েছিল। সেখানে প্রায় ৬০ লক্ষ নাম ছিল বিবেচনাধীন তালিকায়। আর সেই সব নামেরই নিষ্পত্তি চলছে। শুক্রবার পর্যন্ত প্রায় ৫৪ লক্ষের নামের নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে। আর সেখানে নাকি বাদ পড়েছে ৪০ থেকে ৪৫ শতাংশ নাম। আর তাঁদেরই আবার আবেদনের সুযোগ দিল কমিশন। তাঁরা চাইলেই অনলাইনে বা অফলাইনে ট্রাইবুনালে আবেদন করতে পারেন।