
অনেকেই স্বপ্ন দেখেন কোটিপতি হওয়ার। আর সেটা বিরাট বড় কোনও চাহিদা নয়। বরং একটু ঠিক ঠাক করে প্ল্যান করলেই আপনি অনায়াসে হতে পারবেন কোটিপতি। এমনকী মাসে মাত্র ১০ হাজার টাকা করে জমিয়েও কোটি টাকা হতে পারেন। হ্যাঁ, ঠিকই শুনছেন। যদিও ব্যাঙ্কে টাকা রেখে এমনটা সম্ভব হবে না। বরং আপনাকে ঠিক ঠাক ইনভেস্ট করতে হবে।
এক্ষেত্রে প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা করে ইনভেস্ট করে যেতে হবে। আর ইনভেস্ট করতে হবে SIP-এর মাধ্যমে মিউচুয়াল ফান্ডে। তাহলেই দেখবেন একটা সময় গিয়ে আপনি কোটিপতি হয়ে গিয়েছেন।
SIP কী?
জানি, এতদিনে মোটামুটি সবাই SIP বা সিস্টেমেটিক ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যান সম্পর্কে জেনে গিয়েছেন। তবুও যাঁরা জানেন না, তাঁদের জন্যই কয়েকটি কথা বলে রাখা যাক।
আসলে SIP এর পুরো কথা হল সিস্টেমেটিক ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যান। এটি একটি বিনিয়োগের পদ্ধতি। এই পদ্ধতির মাধ্যমে এক বা একাধিক মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করা হয়।
আর SIP করার সুবিধা হল, এক্ষেত্রে প্রতিমাসেই করে যেতে হয় ইনভেস্টমেন্ট। তাই মার্কেট উপরে থাকলেও যেমন ইনভেস্ট করা হয়, তেমনই নীচের দিকে থাকলেও চলে বিনিয়োগ। যার ফলে ভাল রিটার্ন মেলে।
কোটিপতি হওয়া যায়
এখন আর কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন অলীক কল্পনা নয়। বরং আপনি চাইলেই একটু হিসেব করে কোটিপতি হয়ে যেতে পারেন। আর সেই হিসেবটা রইল নিবন্ধটিতে।
মাসে ১০ হাজার টাকা জমিয়েই কোটিপতি
সেক্ষেত্রে বছরে যদি মাত্র ১০ শতাংশ করে রিটার্ন পান, তাহলে লেগে যেতে পারে ৩০ বছর সময়।
আবার যদি ১৫ শতাংশ রিটার্ন মেলে, তাহলে ২২ থেকে ২৩ বছরের মধ্যেই এই লক্ষ্যে পৌঁছে যেতে পারবেন।
যদিও ইতিহাস বলছে যে মিউচুয়াল ফান্ডে মোটামুটি ১২ শতাংশ হারে রিটার্ন মেলে। এই হিসেবে মোটামুটি ২৭ বছরে আপনি কোটিপতি হয়ে যেতে পারবেন। এক্ষেত্রে আপনার মোট জমা হবে ৩২.৪ লক্ষ টাকার মতো। প্রায় ৭৭ লক্ষ টাকা রিটার্ন পাবেন। জমে যাবে ১ কোটি টাকা।
তবে এই প্রসঙ্গে একটা কথা বলে রাখি যে, মিউচুয়াল ফান্ডে সবসময় রিটার্ন সমান হয় না। কিছু সময় হু হু করে রিটার্ন পাওয়া যায়। কিছু সময় একটুও বাড়ে না টাকা। তাই একটু ধৈর্য ধরে ইনভেস্ট করুন। লাভ হবেই।
বিদ্র: এই নিবন্ধটি পড়ে আবার স্টক কিনবেন না বা বিনিয়োগ করবেন না। এটি খবর দেওয়ার এবং শিক্ষার উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছে। কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। এছাড়া নিজেও করুন রিসার্চ। তারপরই স্টকে করুন ইনভেস্ট।